স্কুলে বাথরুমের বাইরে নজরদারি বাড়ানোর দাবি অভিভাবকদের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুপুর ১টা ৩৫ নাগাদ বাথরুমে গিয়েছিল মেয়েটা। দুপুর ২টো ১০ বেজে যাওয়ার পরেও কেউ খেয়াল করেনি। তারপর খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায় তিনতলার বাথরুমের ভিতর পড়ে রয়েছে জিডি বিড়লা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী কৃত্তিকা পাল। মুখে প্লাস্টিক জড়ানো, হাতের শিরা কাটা। ওই অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ইডিএফ নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরেই স্কুলের বাথরুমের বাইরে নজরদারি বাড়ানোর দাবি তুললেন অভিভাবকরা।

    এই ঘটনার পর থেকে যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন অন্য ছাত্রীদের অভিভাবকরা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে এই স্কুলেই চার বছরের এক ছাত্রীকে যৌননির্যাতন করা হয়েছিল বাথরুমের ভিতরেই। বাথরুমে বারবার এই ধরণের ঘটনা ঘটায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। জনৈক অভিভাবকের বক্তব্য, “আগের ওই ঘটনার পর বাথরুমের করিডরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। কিন্তু বাথরুমে তো আর তা লাগানো সম্ভব নয়। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষের উচিত, প্রতিটি বাথরুমের বাইরে নজরদারির জন্য কাউকে রাখা। নির্দিষ্ট সময় অন্তর এই দায়িত্ব বদল হোক। কিন্তু নজরদারি করার লোক থাকুক। সে অন্তত বুঝতে পারবে, কেউ বাথরুমের ভেতরে বেশিক্ষণ আছে কিনা। তাহলে এই ধরণের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম থাকবে।”

    পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যা করেছে কৃত্তিকা। বাথরুম থেকেই তিন পাতার একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। সুইসাইডের হাতের লেখা কৃত্তিকার কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। কিন্তু এর মধ্যেও উঠছে প্রশ্ন। এক ছাত্রী ৩৫ মিনিট বাথরুমে থাকার পরেও সে ঘটনা কারও নজরে এল না! তাহলে কি স্কুলের গাফিলতি রয়েছে।

    যদিও স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে, সিক রুমে যাওয়ার নাম করে বাথরুমে গিয়েছিল কৃত্তিকা। তার সহপাঠীদের এ কথা বলেই গিয়েছিল সে। তাই শিক্ষিকারা প্রথমে সে ভাবে বুঝতে পারেননি। পরে বোঝা গেলে খোঁজ শুরু হয়। শিশু শিক্ষা কমিশনের তরফেও বলা হচ্ছে, প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে স্কুলের গাফিলতি ছিল না। কিন্তু তারপরেও স্কুলে বিশেষ করে বাথরুমের বাইরে নজরদারি বাড়ানোর দাবি করছেন অভিভাবকরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More