নিউটাউনে সপরিবার সেন্ট জেভিয়ার্সের অধ্যাপককে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ১

৫৮৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিউটাউনে অধ্যাপককে মারধরের ঘটনা গ্রেফতার হয়েছে একজন। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম মুর্শেদ আলম। সে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করেছে নিউটাউন থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, আবাসনের পার্কিংয়ে থুতু ফেলা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়েছিল। ক্রমশ ঝামেলা-অশান্তি বাড়তে থাকে। তার পরই ওই মারামারি হয়। ঘটনায় দু’পক্ষের লোকজনই আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়াও জানা গিয়েছে, ধৃত মুর্শেদ আলমের দাদার সঙ্গে নিগৃহীত অধ্যাপকের আগেও একবার ঝামেলা হয়েছিল। বছর খানেক আগে গাড়ি পার্ক করা নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল তাঁদের। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন।

ধৃত মুর্শেদের অভিযোগ, ঘটনার দিন মার খেয়ে তার ভাইয়ের হাত ভেঙেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে সে। তার অস্ত্রোপচার হবে। মুর্শেদের আরও অভিযোগ, তার দাদার সঙ্গে পুরনো ঝামেলার সূত্র ধরে অধ্যাপকের পরিবারই ঘটনার দিন প্রথমে তাঁদের উপর চড়াও হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, আগের ঝামেলা আর গত পরশুর ঝগড়া সব মিলিয়ে মারপিট বেঁধে গিয়েছিল দু’পক্ষের মধ্যে। যদিও এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, গত পরশু অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউটাউনের আবাসনে সপরিবার আক্রান্ত হন সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক অঙ্কুর রায়। অভিযোগের তির ছিল তাঁরই প্রতিবেশী গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেহেদি হোসেনের বিরুদ্ধে। অঙ্কুর বাবুর অভিযোগ ছিল, লোহার রড দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিউটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সেন্ট জেভিয়ার্সের অধ্যাপক। তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ডাক্তার দেখিয়ে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন অঙ্কুর বাবু। আবাসনের নীচে গাড়ি পার্ক করে লিফটের কাছে যেতেই তাঁদের উপর চড়াও হয় তিন-চারজন। নিগৃহীত অধ্যাপকের অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের মধ্যে ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেহেদী হোসেনের দুই ভাই। প্রথমে অঙ্কুর বাবুর স্ত্রী’র উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকে তারা। স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে মার খান অঙ্কুর বাবুও। এমনকি দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রেহাই পায়নি তাঁদের ১৪ বছরের ছেলেও। তাকেও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অঙ্কুর বাবু জানান, তাঁর স্ত্রীর গলায় এবং হাতে ও পায়ে একাধিক জায়গায় আঘাত লেগেছে। লোহার রড দিয়ে মারধরের ফলে ভালই চোট পেয়েছেন তিনি নিজেও। চোট লেগেছে তাঁর ছেলেরও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More