‘অন্যায়ের প্রতিবাদ না হলে মেয়েদের উপর অসভ্যতা আরও বাড়বে’, ট্যাক্সিচালকের বিরুদ্ধে জবানবন্দি মিমির

মিমির বক্তব্য, তিনি প্রতিবাদ না করলে ওই ট্যাক্সিচালক ছাড়া পেয়ে যেত। আরও অনেক মেয়ের সঙ্গেই এমন আচরণ করত। অভিনেত্রীর দাবি, এমন কিছু মানুষজনের অন্যায় আচরণের জন্যই শহরের বদনাম নয়।

১৯

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অন্যায়ের প্রতিবাদ না করলে পার পেয়ে যাবে এমন অনেকেই। শহরে মেয়েদের উপরে অভ্যবতা আরও বেড়ে যাবে। অভিযুক্ত ট্যাক্সিচালকের বিরুদ্ধে আজ আলিপুর আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে গিয়ে এমনটাই বলেছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তিনি জানান, সে দিন ট্যাক্সিচালকের অভব্য আচরণের বিরুদ্ধে গলা চড়িয়েছিলেন বলেই তাঁকে শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এমন ধরনের ঘটনা শহরের রাস্তায় আকছার ঘটে। অন্যায়কে প্রশ্রয় দিলেই তা আরও বড় আকার নেয়।

মিমির বক্তব্য, তিনি প্রতিবাদ না করলে ওই ট্যাক্সিচালক ছাড়া পেয়ে যেত। আরও অনেক মেয়ের সঙ্গেই এমন আচরণ করত। অভিনেত্রীর দাবি, এমন কিছু মানুষজনের অন্যায় আচরণের জন্যই শহরের বদনাম নয়। আর নাম সামনে না আসায় এরা ঠিক পার পেয়ে যায়।

গত সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার সময়ে এক ট্যাক্সিচালকের কটূক্তি ও অভব্য আচরণের শিকার হন বলে জানিয়েছিলেন মিমি। সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক পদক্ষেপ করেন তিনি। তাঁরই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় ট্যাক্সিচালককে। জানা গিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪, ৩৫৪-এ, ৩৫৪ ডি এবং ৫০৯ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনার দিন রাতে, সরকারি গাড়িতে করেই ফিরছিলেন তিনি। বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকা যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি ট্যাক্সি ক্রমাগত হর্ন বাজিয়ে মিমির গাড়িকে ওভারটেক করে। তখনই গাড়ির কাচ নামান মিমি। এর পরে বালিগঞ্জ ও গড়িয়াহাটের মাঝামাঝি ট্র্যাফিক সিগন্যালে তাঁর গাড়িটি দাঁড়ালে পাশে দাঁড়ানো ট্যাক্সিটির চালক তাঁর দিকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে বলে দাবি করেন মিমি।

তখনই সটান গাড়ি থেকে নামেন তিনি, ট্যাক্সিচালককেও টেনে নামান। ঘটনাচক্রে গতকাল মিমির দেহরক্ষী তাঁর সঙ্গে ছিলেন না। মিমি ওই ট্যাক্সিচালককে নামিয়ে পুলিশে দেবেন বলে ধমক দেন, ততক্ষণে রাস্তায় লোক জমে গিয়েছে। তবে ট্যাক্সি নিয়ে পালিয়ে যায় চালক।

এর পরেই গড়িয়াহাট থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মিমি। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। রাতেই ট্যাক্সিটিকে আটক করে চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মিমি জানিয়েছেন, তিনি সরকারি গাড়িতে ছিলেন, তবু এমন অভব্যতার শিকার হলেন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা তো তাহলে আরওই তলানিতে! এমন ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্যই তিনি কড়া হাতে প্রতিবাদ করেন এবং পুলিশের সঙ্গে যোগাযাগ করেন বলে জানান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More