রবিবার, আগস্ট ২৫

মদ্যপ মোটরবাইক চালককে আটকানোয় টালিগঞ্জ ফাঁড়িতে ঢুকে পুলিশকে মার উন্মত্ত জনতার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মদ্যপ মোটরবাইক চালককে পাকড়ানোর বদলে পুলিশের কপালেই জুটল হেনস্থা। নাকা চেকিং থেকে ঝামেলা পৌঁছল থানাতেও। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষে অভিযুক্তকেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হলো পুলিশ। আর এই ঘটনা ঘটেছে খোদ কলকাতায়, টালিগঞ্জ ফাঁড়িতে। টালিগঞ্জ থানায় ঢুকে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির অভিযোগে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদের জামিনও মঞ্জুর হয়ে গিয়েছে। তাও আবার টালিগঞ্জ থানা থেকেই। তবে রুজু হয়েছে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা।

রবিবার রাত ১১টা নাগাদ নাকা চেকিং চলছিল টালিগঞ্জের মেনকা সিনেমা হলের সামনে। সেখানেই মত্ত অবস্থায় রনজয় হালদার নামের এক যুবককে পাকড়াও করে পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন আরও দুই আরোহী। তারপরেই শুরু হয় গণ্ডগোল। পুলিশের অভিযোগ, রনজয়কে আটকানোর পরেই তিনি কর্তব্যরত পুলিশকর্মীর সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন। ফোন করে নিজের এলাকার লোকেদের খবর দেন। মুহূর্তেই প্রায় জনা চল্লিশের লোক জড়ো হয়ে যায় মেনকা সিনেমা হলের সামনে। অবস্থা বেগতিক দেখে রনজয়কে নিয়ে টালিগঞ্জ থানায় চলে যান ওই পুলিশকর্মী।

এরপরেই টালিগঞ্জ ফাঁড়ির বাইরে জড়ো হতে শুরু করেন আরও লোক। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় শ’খানেক লোক জড়ো হয়ে থানার বাইরে থেকে ইট ছুঁড়তে শুরু করেন। প্রথমে থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখালেও তারপর বেশ কয়েকজন ঢুকে পড়ে থানার ভিতরে। অভিযোগ, কয়েকজন ওসির ঘরে ঢুকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। বাকিরা চড়াও হয় পুলিশকর্মীদের উপর। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এক কনস্টেবলকে বেধড়ক মারধরের অভিওগ উঠেছে উন্মত্ত জনতার বিরুদ্ধে। এমনকী মহিলা কনস্টেবলদের পোশাক ছেঁড়ারও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে রনজয়কে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

যদিও রনজয়ের অভিযোগ তিনি নয়, মদ্যপান করেছিলেন নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা ওই পুলিশকর্মীই। তিনিই অকারণে রনজয়কে আটকান। তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। জোর করে তাঁকে থানায় নিয়ে আসেন। সূত্রের খবর, পুলিশের বিরুদ্ধেই নাকি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন রনজয়।

Comments are closed.