থানায় ঢুকে পুলিশ পেটানোর অভিযোগ অবশেষে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত, বাকিদের খোঁজে তল্লাশি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: মদ্যপ বাইক চালকদের পাকড়াও করায় টালিগঞ্জ থানায় ঢুকে পুলিশ পিটিয়েছিল উন্মত্ত জনতা। রবিবার রাতের এই ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। আর সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর অবশেষে পুলিশের জালে পাকড়াও হয়েছে দু’জন অভিযুক্ত।

    পুলিশ জানিয়েছে, তাদের নাম ছোটকা দলুই এবং দীপক অধিকারী। এলাকায় তারা ভাই এবং লালা নামেই পরিচিত। মঙ্গলবার দুই অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছে। যদিও এখনও অধরা রয়েছে অধিকাংশ অভিযুক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। তবে গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত পুতুল নস্কর। খোঁজ চলছে তার ভাইপো আকাশের।

    রবিবার রাত ১১টা নাগাদ নাকা চেকিং চলছিল টালিগঞ্জের মেনকা সিনেমা হলের সামনে। সেখানেই মত্ত অবস্থায় রনজয় হালদার নামের এক যুবককে পাকড়াও করে পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন আরও দুই আরোহী। তারপরেই শুরু হয় গণ্ডগোল। পুলিশের অভিযোগ, রনজয়কে আটকানোর পরেই তিনি কর্তব্যরত পুলিশকর্মীর সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন। ফোন করে নিজের এলাকার লোকেদের খবর দেন। মুহূর্তেই প্রায় জনা চল্লিশের লোক জড়ো হয়ে যায় মেনকা সিনেমা হলের সামনে। অবস্থা বেগতিক দেখে রনজয়কে নিয়ে টালিগঞ্জ থানায় চলে যান ওই পুলিশকর্মী।

    পুলিশের দাবি, এরপর থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অন্তত ১০০ জন উত্তেজিত জনতা। আচমকাই কয়েকজন ঢুকে পড়ে থানায়। কয়েকজন ওসির ঘরে ঢুকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। বাকিরা চড়াও হয় পুলিশকর্মীদের উপর। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এক কনস্টেবলকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে উন্মত্ত জনতার বিরুদ্ধে। এমনকী মহিলা কনস্টেবলদের পোশাক ছেঁড়ারও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে রনজয়কে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More