সোমবার, আগস্ট ১৯

ইডি-সিবিআইতে একই দিনে সারদা মামলায় হাজিরা কুণালের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিটফান্ড ক্লাণ্ডে তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষ-সহ ৬ জনকে ডেকে পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই ব্যাপারেই বুধবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে গেলেন কুণাল ঘোষ। তবে শুধু ইডি নয়, সিবিআই দফতরেও একবার হাজিরা দেবেন কুণাল, এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ।

এ দিন হাতে ফাইল নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান কুণাল। সেখানে থাকা সাংবাদিকদের সামনে কুণাল বলেন, “আমি ইডি করে সিবিআইতে একটা কাজ সেরে একেবারে বেরাবো। আমার বিকেলে ট্রেন আছে। আসলে ছেলে কানপুর আইআইটিতে চান্স পেয়েছে। ওর পরশু ভর্তি। তাই আমাকে আজ রাজধানী ধরতেই হবে। তাই আমি আজ একটু সকাল সকাল এসেছি।” এ কথা বলেই সিজিও কমপ্লেক্সের ভিতরে ঢুকে যান কুণাল।

সোমবার চিটফান্ড তদন্তে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় ও দলের প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ কুণাল ঘোষ সহ ৬ জনকে জেরার জন্য ডেকে পাঠায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একই তদন্তে শাসক দলের প্রাক্তন এক সাংসদ সহ আরও এক জনকে নোটিস পাঠিয়েছে সিবিআই। সেই সঙ্গে নারদ কাণ্ডে সরকারের বেশ কয়েক জন অফিসারকেও জেরার জন্য নোটিস ধরিয়েছে এই কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি।

সূত্রের খবর, সিবিআই যেমন চিটফান্ড কাণ্ডে ষড়যন্ত্রের দিকটি তদন্ত করে দেখছে। তেমন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তদন্ত করছে ‘মানি ট্রেইল’। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের কাছ তোলা চিটফাণ্ডের টাকা কী ভাবে হাত বদল হয়েছে। তার সুবিধা পেয়েছেন কারা? এর মধ্যে শাসক দলের কারা রয়েছেন। তা ছাড়া আর কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে টাকা পৌঁছেছে। জানা গিয়েছে, কুণাল-শতাব্দী ছাড়া দেবব্রত সরকার, সজ্জন আগরওয়াল, অরিন্দম দাসকে জেরার জন্য ডেকেছে ইডি।

Comments are closed.