শুক্রবার, নভেম্বর ২২
TheWall
TheWall

শঙ্খ ঘোষদের ডি-লিট দিচ্ছে যাদবপুর, সিলমোহরের জন্য প্রস্তাব গেল রাজভবনে  

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  শুক্রবার ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বৈঠক। সেই বৈঠকে আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সংঘাতের পরেও সাম্মানিক ডি-লিট ও ডি-এসসি দেওয়ার জন্য চারজনের নাম রাজভনের সিলমোহরের জন্য চলে গিয়েছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এ বার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাম্মানিক ডি-লিট দেবে বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষ এবং প্রাক্তন বিদেশ সচিব সলমন হায়দারকে। সাম্মানিক ডি-এসসি পাচ্ছেন ভারতরত্ন প্রাপ্ত সিএনআর রাও এবং ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর এ দিনের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডি-লিট ও ডি-এসসি দেওয়ার জন্য যে নামের তালিকা পেশ করে তাতে একটি নামে আপত্তি জানান আচার্য। তিনি নাকি বলেন, আপাতত এই নাম রাজভবনে যাক। তারপর তা বিবেচনা করা হবে। তখন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস গোটা ব্যাপারটাকে জটিলতা মুক্ত করতে রাজ্যপালকে অনুরোধ করেন এই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নিতে। এরপর ওই নাম নিয়ে ভোটাভুটিও হয় বলে খবর। তারপর জানা গিয়েছে যে প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ করেছিল, সেই নামই যাচ্ছে রাজভবনে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ফের সংঘাত রাজ্যপালের, প্রশাসনিক বৈঠকে ভোটাভুটি

এ দিন সকাল এগারোটায় শুরু হয় বৈঠক। যেহেতু এই বৈঠক একেবারেই আনুষ্ঠানিক এবং নিয়মরক্ষার সেহেতু অনেকেই ভেবেছিল মিনিট চল্লিশ-পয়তাল্লিশের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়াটা শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু ঘণ্টা দেড়েক কেটে যাওয়ার পরও বৈঠক থেকে কেউ না বেরোনোয় সন্দেহ হয় অনেকেরই। প্রশ্ন জাগে, তাহলে কি বৈঠকের ভিতরে ফের সংঘাত শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হ্যাঁ তাই।

এমনিতে এই ধরনের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে আচার্য তাঁর মনোনীত প্রতিনিধিকে পাঠিয়ে দেন। নিজে আসেন এমন ঘটনা বিরল। কিন্তু জগদীপ ধনকড় যেন বোঝাতে চাইলেন, তিনি ব্যতিক্রমীদের দলেই পড়েন। এ দিন শুধু সশরীরে উপস্থিত থাকা নয়, বিশ্ববিদযালয়ের প্রস্তাবে দ্বিমতও জানান তিনি। তবে শেষমেশ রাজ্যপালও প্রস্তাবে সহমত পোষণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…

Comments are closed.