মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫

#Breaking: রাজীব কুমারের খোঁজে কলকাতার আনাচে-কানাচে হানা সিবিআই-এর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহর জুড়ে হন্যে হয়ে রাজীব কুমারকে খুঁজছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, রাজীব কুমারকে খুঁজতে ইতিমধ্যেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে সিবিআই-এর পাঁচটি দল। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ করেই আলিপুরের আইপিএস মেসে গিয়ে হাজির হয় সিবিআই-এর চার সদস্যের একটি দল। সেখানে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালান তাঁরা। তল্লাশি চালানো হয় রাজীব কুমারের বাড়ি ৩৪ পার্ক স্ট্রিটে। এ ছাড়াও বাইপাসের ধারের একটি হোটেলেও তল্লাশি চালাতে হাজির হয় সিবিআই আধিকারিকরা।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ সিবিআই-এর চার সদস্যের একটি দল পৌঁছয় আলিপুরের আইপিএস মেসে। এই দলে একজন এসপি ও দু’জন ডিএসপি র‍্যাঙ্কের অফিসার ছিলেন। তাঁরা সেখানে গিয়ে মেসের ভিতরে ঢুকে প্রতিটা দরজায় টোকা মেরে দেখেছেন। অর্থাৎ প্রতিটা ঘরে খুঁজে দেখেছেন, কোথাও রাজীব কুমার রয়েছেন কিনা। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর সেখান থেকে বেরিয়ে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সংবাদমাধ্যমের সামনে অবশ্য এই ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেননি তাঁরা।

এ দিকে এ দিনই দুপুর দেড়টা নাগাদ সিবিআই-এর একটি দল ফের পৌঁছয় রাজীব কুমারের বাড়ি অর্থাৎ ৩৪ পার্ক স্ট্রিটে। সূত্রের খবর, রাজীব কুমারের বাড়ির সামনে সেরকম নিরাপত্তা না থাকায় তাঁরা বাড়ির ভিতরে চলে যান। সেখানে গিয়ে রাজীব কুমারের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকেন। বেশ কিছুক্ষণ পরে খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে আসে পুলিশ । তারপর প্রায় ৪৫ মিনিট পর সিবিআই-এর গাড়িকে কার্যত কর্ডন করে বের করে দেওয়া হয় সেখান থেকে। তারপর থেকেই এই বাড়ির দুই গেটে মোতায়েন আছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সাদা পোশাকের পুলিশে কার্যত ঘিরে ফেলেছে এলাকা।

তারপরেই দুপুর তিনটে নাগাদ বাইপাসের ধারের একটি পাঁচতারা হোটেলে গিয়ে পৌঁছন সিবিআই-এর চার সদস্যের একটি দল। সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালান তাঁরা। সিবিআই সূত্রে জানানো হয়েছে, এই হোটেলে লুকিয়ে থাকতে পারেন রাজীব কুমার। তাই তল্লাশি চালাতে সেখানে গিয়েছেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতেও গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এ দিনও সিআরপিসি ১৬০ ধারায় রাজীব কুমারকে নোটিস পাঠিয়েছে সিবিআই।

রাজীব কুমারের ফোন বন্ধ থাকায় এ দিনই আবার ডিজিকে মেল করে সিবিআই-এর তরফে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, রাজীব কুমারের বর্তমান চালু নম্বরটি কী? কোন নম্বরে ফোন করলে পাওয়া যাবে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে? মেল-এ উল্লেখ করা হয়েছে, আদালতের নির্দেশের পর থেকে তদন্তের স্বার্থে রাজীব কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। তাই যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাজীব কুমারের ফোন নম্বর জানিয়ে এই মেল-এর উত্তর দেওয়া হয়।

Comments are closed.