বাগরি মার্কেটের আগুনে ধোঁয়ায় ঢাকল পুজোর আনন্দ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : আর  মাসখানেক বাদেই পুজো। আজ রবিবার হলেও দোকান খোলা থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন মালিক। তাই সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে তৈরি হচ্ছিলেন কমল বাগচি। কোন্নগরের বাড়ি থেকে আসতে হবে বাগরি মার্কেটে। টিভিতে আগুন জ্বলার খবর পেয়ে ছুটতে ছুটতে চলে আসেন দোকানে। এখানে তখন সব শেষ।

    ৬ হাজার টাকা মাস মাইনেয় বাগরি মার্কেটের ভিতর  একটি চিরুনির দোকানে কাজ করেন কমলবাবু। বউ মেয়েকে নিয়ে তাতেই কোনওমতে ঘোরে সংসারের চাকা। ‌পুজোর মুখে সামান্য বোনাসের টাকায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটান প্রতিবার। এ বার এমন সর্বনাশে তাই দিশাহারা হয়ে পড়েছেন এই প্রবীণ। উদভ্রান্তের মতো একবার একে, একবার ওকে জিজ্ঞেস করছেন দোকানে অবশিষ্ট কিছু আছে কি? না হলে কাজটাই আর থাকবে না। কমলবাবুকে ঘিরে তাঁরই মতো আরও কয়েকজনের ভিড়। দোকানে কাজ করার আয়েই যাঁরা সচল রাখেন সংসারের চাকা।

     

    সকাল সকাল খবর পেয়ে দক্ষিণ কলকাতার বাড়ি থেকে ছুটে এসেছেন  বাবলু ভট্টাচার্যও। সব দেখে শুনে স্থবির হয়ে গিয়েছেন তিনিও। তিন পুরুষের সুতোর দোকান বাগরি মার্কেটে। পুরোটাই পুড়ে ছাই। টাকার হিসেবে কত ক্ষয়ক্ষতি তা হিসেব করে বলারও ক্ষমতা হারিয়েছেন। শুধু জানালেন, তিনি একা নন, তাঁদের পৈত্রিক ব্যবসায় পেট চলে একান্নবর্তী গোটা পরিবারের। এখন তাই অথৈ জলে সবাই।

    দমকলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন বাগরি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। ’’দমকল ঠিক সময়ে সক্রিয় হলে আটকানো যেত এত বিপুল ক্ষয়ক্ষতি। কারণ আগুনতো প্রথম লেগেছিল একতলার দোকানে।’’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More