পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য দায়ী নেহরু, মহারাষ্ট্রে আক্রমণাত্মক অমিত শাহ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের একটি অংশ পাকিস্তানের হাতে থাকা নিয়ে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে কাঠগড়ায় তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার মহারাষ্ট্রের একটি জনসভায় বিজেপি সভাপতি বলেন, জওহরলাল নেহরুর কারণেই কাশ্মীরের ওই অংশ পাকিস্তানের অধিকৃত রয়েছে। সেই সময়ে এটাকেই যুদ্ধবিরতির শর্ত করা হয়েছিল। এবং অমিত শাহ বলেন, দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই পটেলের উচিত ছিল ব্যাপারটা নিয়ন্ত্রণ করা।

    এ দিন অমিত শাহ বলেন, “সে দিন যদি নেহরু পাকিস্তানের সঙ্গে অকাল যুদ্ধবিরতি না করতেন, তাহলে আজ কাশ্মীরের ওই অংশ পাক অধিকৃত থাকত না।” তাঁর কথায়, “পটেলের পরিবর্তে নেহরু কাশ্মীর নিয়ে পদক্ষেপ করাতেই এই ঘটনা ঘটেছিল। পটেল করলে এটা হত না। কারণ লৌহমানব যে যে অংশগুলিকে ভারতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, সেগুলি ভারতেই রয়েছে।”

    গত কালই ভোট ঘোষণা হয়েছে মহারাষ্ট্রের। এ দিন নির্বাচনী জনসভায় অধিকাংশ সময় কাশ্মীর নিয়েই খরচ করেন শাহ। কাশ্মীর থেকে বিশেষ সংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর এই ভোট। তাঁর কথায়, “কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া নিয়ে কংগ্রেস রাজনীতি করছে। কিন্তু ওখানে যে বছরের পর বছর ধরে সন্ত্রাসবাদ বেড়ে উঠেছে তা নিয়ে কোনও কথা নেই।”

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নাম করে তীব্র আক্রমণ করেন শাহ। বলেন, “রাহুল বাবা, আপনি তো রাজনীতি দেখছেন। কিন্তু ৩৭০কে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদীরা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের তিনটি প্রজন্মকে ভিটেচ্যুত করে রেখে দিল তার বেলায় কোনও কথা নেই। ১৯৯০-২০০০ এই দশ বছরে চল্লিশ হাজার মানুষের প্রাণ গিয়েছে। কী করেছিল আপনার দল?” শাহের সাফ কথা, “এটা রাজনীতি নয়। এটা ভারত মাতাকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পদক্ষেপ।”

    যদিও কংগ্রেস মুখপাত্ররা বলছেন, “এটাই বিজেপি-র রাজনীতি। লোকসভায় বালাকোটকে হাতিয়ার করে পাঁচ বছরের অপদার্থতা ঢেকে দেওয়ার কৌশল নিয়েছিল। আবার মহারাষ্ট্রের ভোটে ৩৭০ তুলে দেওয়াকে অস্ত্র করছে। গত পাঁচ বছরে কী পেরেছে, কী পারেনি তা নিয়ে কোনও কথা নেই।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More