বুধবার, জুলাই ১৭

১১৬ বছর বয়সে মারা গেলেন ইতালির ‘গ্রেট গ্র্যান্ডমা’ ইউরোপের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা জুসেপ্পিনা রোবুচ্চি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গিনেস ওর্য়াল্ড রেকর্ড অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে যাঁর নাম শীর্ষে ছিল তিনি এক জন ফরাসি মহিলা। নাম জেনি ক্যামেন্ট। ১২২ বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন সেই মহিলা। সেই রেকর্ডকে অনেকটা পেছনে ফেলে গিনেস বুকে বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তির তকমা পেয়েছিলেন ইন্দোনেশিয়ার মাহ গোথো। এই রেকর্ড ভাঙতে না পারলেও, ইউরোপের প্রবীণতম মহিলা এবং ইতালির অতি আদরের ‘গ্রেট গ্র্যান্ডমা’ মারা গেলেন ১১৬ বছর বয়সে।

জুসেপ্পিনা রোবুচ্চি। মঙ্গলবার দক্ষিণ ইতালির পোগ্গিও ইমপেরিয়ালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। তাঁর জন্ম শংসাপত্র থেকে জানা গেছে, মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১১৬ বছর ৯০ দিন। ১৯০৩ সালে ২০ মার্চ জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি।

মার্কিন জেরেন্টোলজি রিসার্চ গ্রুপের বিশেষজ্ঞ রবার্ট ইয়ং জানিয়েছেন, রোবুচ্চি ছিলেন এ যাবৎ ইউরোপের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা। বর্তমানে বিশ্বের প্রবীণতম মহিলাদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল তাঁর নাম। জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা কেন তানাকার থেকে মাত্র দু’মাসের ছোট ছিলেন তিনি। কেনের জন্ম হয়েছিল ১৯০৩ সালেরই ২ জানুয়ারি।

সকলের কাছে নোন্না পেপ্পা নামে পরিচিত ছিলেন রোবুচ্চি। নিজের ক্যাফে চালাতেন। পাঁচ ছেলেমেয়ে, ন’জন নাতি নাতনী, তাঁদের ১৬ জন সন্তান নিয়ে জমজমাট সংসার ছিল রোবুচ্চির। ২০১২ সালে তাঁকে ‘সম্মানীয় মেয়র’ উপাধি পেয়েছিলেন তিনি।

‘‘জুসেপ্পিনা রোবুচ্চি সকলের প্রিয় ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা খুবই দুঃখিত,’’ বলেছেন টাউন মেয়র আলফন্সো ডি’অ্যালোসিও।

এম্মা মোরান

১৮৭০-এর ডিসেম্বরে জন্মেছিলেন মাহো গোথো। ২০১৭ সালে ১৪৬ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তাঁর। এতদিন বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তির তালিকায় প্রথমেই ছিল তাঁর নাম। জেরেন্টোলজি রিসার্চ গ্রুপের রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা বা পুরুষ, জীবিত অথবা মৃত, এমন ১৭ জনের তালিকায় ছিল জুসেপ্পিনা রোবুচ্চির নাম। ইতালি এর আগে দাবি করেছিল, বিশ্বের প্রবীণতম মহিলার নাম এম্মা মোরান। ইতালির বাসিন্দা এম্মা মারা গিয়েছিলেন ১১৭ বছর বয়সে।

Comments are closed.