কাবুলে বিস্ফোরণ, তাই ট্রাম্পও বোমা ফাটালেন, তালিবানের সঙ্গে গোপন শান্তি-বৈঠক ভেস্তে গেল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর সঙ্গে ক্যাম্প ডেভিডে গোপন শান্তি আলোচনার জন্য আফগান ও তালিবানি নেতারা কাবুল থেকে রওনা হয়ে তখনও বিমানে। কিন্তু বলা নেই কওয়া নেই বোমা ফাটিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    দু’দিন আগে কাবুলে ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তালিবানিরা। তাতে এক জন মার্কিন নেতা সহ আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ট্রাম্প তার পরই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বিস্ফোরণ ও শান্তি আলোচনা সমান্তরাল ভাবে চলতে পারে না। আমি প্রস্তাবিত গোপন বৈঠক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করলাম। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে দৌত্য চলছিল তাও বন্ধ করে দিলাম।

    রবিবার ভারতীয় সময়ের কাক ভোরে টুইট করে এ কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, রবিবার ক্যাম্প ডেভিডে আফগান প্রেসিডেন্ট ও তালিবান নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তা কেউই জানত না। কিন্তু মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে এই বৈঠক করতে যাচ্ছিল ওঁরা।

    ট্রাম্পের এই কথায় পরিষ্কার যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের জন্য গত এক বছর ধরে যে শান্তি আলোচনা চলছিল তা এক কথায় প্রায় ভেস্তে গেল। নতুন করে তা আদৌ শুরু হবে কিনা তা অনিশ্চিত।

    তবে এতে ভারতের জন্য ভালই হল বলে অনেকে মনে করছেন। তাঁদের মতে, কাবুলে বিস্ফোরণ প্রমাণ করে যে আফগানিস্তানে এখনও তালিবান ও আইসিস জঙ্গিরা কতটা সক্রিয়। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে গোটা অঞ্চলে নিরাপত্তার সঙ্কট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মার্কিন সেনা সেখান যতদিন থাকে ততই ভাল।

    আফিগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রাখা নিয়ে আমেরিকার ঘরোয়া রাজনীতিতে গত দশ বছর ধরে সমালোচনা চলছে। তার পরেও ট্রাম্প গোড়ায় জানিয়েছিলেন যে আরও মার্কিন সেনা সেখানে মোতায়েন হবে। কিন্তু পরে পরিস্থিতি আন্দাজ করে তাঁর মত বদলান। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা অনন্ত কাল ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে না। তা শেষ করতে হবে।
    আফগানিস্তানের পাঁচটি সেনা ছাউনিতে ১৩ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। তার মধ্যে থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের কথা ঠিক হয়েছিল। এ ব্যাপারে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরফ গনি ও তালিবানি নেতাদের সঙ্গে দৌত্য চালাচ্ছিলেন মার্কিন কূটনীতিক জালমে খলিলজাদ। তিনি আসলে জন্মেছিলেন আফগানিস্তানেই। তবে কূটনৈতিক সূত্রে বলা হচ্ছে, ট্রাম্প বলছেন ঠিকই, কিন্তু এর পরেও তলে তলে তালিবান নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন জালমে খলিলজাদ। সেই বৈঠক কাতারে হতে পারে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More