বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কোভিড টেস্ট হচ্ছে আমেরিকায়, মৃত্যুহার অনেক কম, দাবি ট্রাম্পের

ট্রাম্পের বক্তব্য, “আমেরিকায় কোভিড সংক্রমণে মৃত্যুহার সবচেয়ে কম। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তো বটেই।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোভিড টেস্ট কর্মসূচি চলছে আমেরিকায়। ভারত, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিলের থেকেও বেশি করোনা পরীক্ষা হচ্ছে দেশে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তাই আমেরিকায় কোভিড সংক্রমণজনিত কারণে মৃত্যুহারও অনেক কম, এমনটাই দাবি করে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের বক্তব্য, “আমেরিকায় কোভিড সংক্রমণে মৃত্যুহার সবচেয়ে কম। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তো বটেই।” এদিকে জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির রিপোর্ট বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষের। ফ্লোরিডায় ভাইরাসের সংক্রমণ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে অ্যারিজ়োনা, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়ার কোভিড পরিস্থিতি রীতিমতো উদ্বেগজনক। হাসপাতালে কোভিড রোগীদের ভিড় উপচে পড়ছে। আইসোলেশন বেডের অভাব। প্রায় প্রতিদিনই ৬০ হাজারের উপর নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে আমেরিকায়।

    দেশে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য মার্কিন প্রশাসনের নিস্পৃহতাকেই দায়ী করেছেন অনেকে। সংক্রমণ বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতেও লকডাউনের রাশ আলগা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত শুক্রবার থেকেই খুলে গেছে ওয়াল্ট ডিজনি ওয়ার্ল্ড। সূত্রের খবর, এর পরেই ফ্লোরিডায় করোনা সংক্রমণ একলাফে অনেকটাই বেড়ে যায়।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের যদিও বক্তব্য, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কারণ হল কোভিড টেস্ট। তাঁর কথায়, “অ্যান্টিবডি টেস্ট ছাড়াও অন্যান্য টেস্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। অন্যান্য দেশে যখন কেউ হাসপাতালে বা ডাক্তারের ক্লিনিকে যায় তখন তার টেস্ট করা হয়। তাই সেই কোভিড টেস্টের রিপোর্ট মোট সংখ্যায় যোগ হয় না। কিন্তু আমরা তো সঠিক সংখ্যাই দেখাচ্ছি। কোভিড টেস্টিংয়ের ফলে যে আক্রান্তদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে সেটাই দেখানো হচ্ছে।”

    কোভিড ভ্যাকসিনের গবেষণায় যেমন ভাল কাজ করছে আমেরিকা, তেমনি কোভিড থেরাপিতেও এগিয়ে, বললেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোভিড টেস্ট প্রোগ্রাম হচ্ছে আমেরিকায়। ব্রাজিলের অবস্থা এত খারাপ কারণ সেখানে আমেরিকার মতো করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে না।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলে প্রেসিডেন্টের বিরাগভাজন হয়েছেন হোয়াইট হাউসের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফৌজি। তিনি বলেছিলেন, শুরু থেকেই যদি কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হত তাহলে সংক্রমণ এত ছড়াত না। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পরেও লকডাউন শিথিল করেছে প্রশাসন। যার কারণে কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। ফৌজির মন্তব্যের পরেই তাঁর সঙ্গে প্রায় মুখ দেখাদেখি বন্ধ ট্রাম্পের। হোয়াইট হাউস সূত্রে গতকালই জানানো হয়েছে, ফৌজি অনেক ভুলভাল তথ্য দিয়েছেন। তাঁকে হোয়াইট হোয়াইস বিরোধী বলেও দাবি করা হয়েছে। এমনকি ফৌজিকে দায়িত্ব থেকে সরানো হতে পারে বলে কানাঘুষোও চলছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More