রবিবার, আগস্ট ২৫

দু’সপ্তাহে পাঁচ বার, আমেরিকার চোখ রাঙানি উড়িয়ে ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল কিমের দেশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’সপ্তাহের মধ্যে পর পর চার বার। এই নিয়ে পাঁচ। লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে চলেছে উত্তর কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনা সূত্রে খবর, শনিবার উত্তর-পূর্বের হ্যামহাং শহরে দু’টি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা করে উত্তর কোরিয়া। অনুমান মাটি থেকে ৪৮ কিলোমিটার উপর দিয়ে উড়ে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার (২৫০ মাইল) পথ পাড়ি দেয় এই মিসাইলগুলি। দেশের প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান অ্যাকাডেমিতে উপস্থিত  থেকে আগাগোড়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সাক্ষী থেকেছেন সে দেশের শাসক কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার দাবি, এটি এক ধরনের ‘ট্যাকটিকাল গাইডেড’ বা কৌশলগত অস্ত্র। তবে বিশদে কিছু জানানো হয়নি।

কোরীয় উপদ্বীপে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনা বাহিনীর সঙ্গে আমেরিকার যৌথ মহড়া শুরু হয়েছে। তাতে বরাবরই আপত্তি জানিয়ে এসেছেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। তারই প্রতিবাদে নিজেদের শক্তি যাচাইয়ে পর পর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চলেছে উত্তর কোরিয়া। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারি ভাবে মুখ খোলেনি কিমের দেশ।

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি নিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে দ্বিতীয় বার মুখোমুখি বসেছিল উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকা। কিন্তু কিম ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওই বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। বস্তুত, উত্তর কোরিয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলেননি ট্রাম্প। আর নিজেদের মনের মতো চুক্তি না হলে কোনও কিছুর প্রভাবেই যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ হবে না, সেটাও জানিয়ে দিয়েছিল কিমের দেশ।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, উত্তর কোরিয়া পর পর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করলেও, সেগুলি সব ক’টিই স্বল্প পাল্লার। ২০১৭-’১৮ সালে কিম যে ভাবে ট্রাম্প প্রশাসনকে সরাসরি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন, সেই সুরও এখন অনেকটাই নরম।  তবে উত্তর কোরিয়ার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকা যে ভাবে যৌথ সেনা মহড়া চালাচ্ছে, তাতে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নিজেদের শক্তি সঞ্চয় করছে উত্তর কোরিয়া। এই অস্ত্রপরীক্ষা সে কারণেই।

Comments are closed.