প্রেমিকাই কি ফাঁস করল জেফের গোপন তথ্য! ওয়াল স্ট্রিটের রিপোর্ট দিল চাঞ্চল্যকর তথ্য

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমাজন কর্তার ফোনে কে আড়ি পাতল সেই নিয়ে তোলপাড় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে এনক্রিপটেড ভিডিও ফাইল পাঠিয়ে আমাজন কর্তা জেফ বেজোসের গোপন তথ্য হাতিয়ে নিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন, এমন অভিযোগই সামনে এসেছে। নতুন রিপোর্টে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, জেফ বেজোসের গোপন তথ্য আগেও সামনে এসেছিল, আর সেটা এনেছিলেন তাঁর বান্ধবী ও প্রেমিকা লরেন স্যানচেজ়। নিজেদের ব্যক্তিগত মেসেজ চালাচালি প্রকাশ্যে এনে ফেলেছিলেন তিনি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, জেফের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত কথোপকথন ভাই মাইকেল স্যানচেজ়কে পাঠিয়েছিলেন লরেন। মাইকেল সেই চ্যাট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে ফাঁস করে দেন। জেফ-লরেনের পরকীয়া সামনে চলে আসে। শুধু নিজেদের গোপন চ্যাট নাকি আরও কিছু তথ্যও সামনে এনেছিলেন লরেন,কানাঘুষো চলছে সেই নিয়েই।

ভারত সফরের সময় জেফ বেজোস ও তাঁর বান্ধবী-প্রেমিকা লরেনের কিছু ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। লরেন নাকি জেফের শার্টলেস ছবিও পাঠিয়েছিলেন ভাই মাইকেলকে। সেই সময় লরেনের সঙ্গে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে জেফ দাবি করেছিলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শে অনুপ্রাণিত কিছু সংবাদমাধ্যম তাঁকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরও করেছিলেন তিনি।

মার্কিন দৈনিক ‘দ্য ওয়াশিটংন পোস্ট’-এর মালিক, ‘অ্যামাজন’-এর সিইও জেফ বেজোসের মোবাইল ফোন হ্যাক হওয়ার খবর সামনে আসার পর থেকে নানা সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেফের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট যে হ্যাক হয়েছে ডিজিটাল ফরেন্সিকের রিপোর্টে সেটা স্পষ্ট। এর পরে দাবি উঠেছিল এই হ্যাকিংয়ের পিছনে হাত রয়েছে সৌদি যুবরাজের। সৌদি যুবারাজের সঙ্গে এক ডিনার-বৈঠকের পরই জেফ বেজোসের মোবাইল হ্যাক হয়েছিল, এমন তথ্যই সামনে এনেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশেষজ্ঞরা। রাষ্ট্রপুঞ্জে এই ব্যাপারে রিপোর্টও পেশ করেন দুই বিশেষজ্ঞ অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ও ডেভিড কায়ে। যদিও আমেরিকার সৌদি দূতাবাস রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টটি খারিজ করে দেয়। তারা দাবি করে, জেফ বেজোসের ফোন হ্যাকিংয়ের পিছনে সৌদি আরব রয়েছে, তা একেবারে ভিত্তিহীন। এই অভিযোগ অস্বীকার করে বিবৃতিও দেন সৌদি যুবরাজ।

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যার পর থেকেই বেজোসের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের। খাশোগি-হত্যায় অন্যতম অভিযুক্তই ছিলেন সৌদি যুবরাজ। আর খাশোগি যে মার্কিন দৈনিকের সাংবাদিক ছিলেন তার মালিকই ছিল অ্যামাজন। একটি ব্রিটিশ দৈনিক দাবি করে,  ২০১৮ সালের পয়লা মে বেজোসের আইফোনে যে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ঢুকেছিল সেটা এসেছিল সৌদি যুবরাজের ফোন থেকেই।  রিপোর্টে দাবি করা হয়, এমন একটি ভিডিও ফাইল পাঠানো হয়েছিল বেজোসের মোবাইলে যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আ্যামাজন কর্তার ফোন থেকে যাবতীয় তথ্য বেহাত হয়ে যায়। তবে সত্যিই সৌদি যুবরাজই এই গোটা চক্রান্তের পিছনে ছিলেন, নাকি রয়েছে আরও রহস্য সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More