বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯

ইমরান খান জলসা করবেন, প্রতীকী লোডশেডিং, দাঁড় করিয়ে রাখার পর কাশ্মীর প্রশ্নে নতুন স্টাইল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের প্রতি সংহতি জানাতে আর কী কী করবে পাকিস্তান?

বুধবার সক্কাল সক্কাল টুইট করে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানিয়েছেন, কাশ্মীরি জনতাকে পাশে থাকার বার্তা দিতে জলসা করবেন তিনি। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরবাদে হবে হবে ওই জলসা। তেহেরিক-ই-ইনসান পার্টির সুপ্রিমো ইমরান জানিয়েছেন, ওই জলসা থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের জনতাকে বার্তা দেবেন তিনি। টুইটে ইমরান লিখেছেন, ভারত সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনী কাশ্মীরকে ঘিরে রেখেছে।

ইসলামাবাদ যে কাশ্মীরি জনতার পাশে আছে, তা বোঝাতে সরকারি দফতরে প্রতীকী লোডশেডিংয়ের ডাক দিয়েছিলেন ইমরান খান। তারপর এক শুক্রবার নামাজের পর আধ ঘণ্টা পাক জনতাকে দাঁড়িয়ে থাকার অনুরোধ করেছিলেন বাইশ গজ থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া এই নেতা। এ বার জলসা।

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর থেকেই দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব পড়ে। চাপানউতোর তুঙ্গে ওঠে। আন্তর্জাতিক মহলেও শুরু হয় দড়িটানাটানি। এর মধ্যেই বুধবার রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের বৈঠকের মাঝে পাক বিদেশ মন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশি ভারতকে আক্রমণ করতে গিয়ে ‘ইন্ডিয়ান স্টেট অফ কাশ্মীর’ বলে ফেলেন। বিদেশমন্ত্রীর মুখ ফস্কে বলা এমন কথায় ঘোর বিপাকে পড়ে ইমরান প্রশাসন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয়দের বিদ্রুপের মধ্যে পাক জনতার একাংশও প্রবল সমালোচনা শুরু করে দেয়। অনেকে মনে করছেন, সেই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতেই হয়তো এ বার জলসার আয়োজন ইমরানের।

পর্যবেক্ষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে বারবার দরবার করেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পায়নি ইসলামাবাদ। তাই পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চাপেই ইমরান লোডশেডিং, জলসা- এ সব করছেন। উদ্দেশ্য একটাই, ব্যাপারটাকে জিইয়ে রাখা।

Comments are closed.