রেমডেসিভিরে জট কাটল, করোনা চিকিৎসায় প্রয়োগের ছাড়পত্র দিল আমেরিকা

রেমডেসিভির নির্মাতা সংস্থা গিলিয়েড সায়েন্সেস দাবি করেছে, পাঁচ দিনের ডোজে রেমডেসিভির করোনা রোগীদের সংক্রমণ কমিয়েছে। রোগ সারতে সময় লেগেছে কম করে ১৫ দিন।

৬৭৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেমডেসিভির ওষুধের প্রয়োগে করোনা রোগীদের মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না। সংক্রমণ কমার লক্ষণও দেখা যায়নি। এমনটাই দাবি করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। রেমডেসিভির ওষুধের ক্লিনিকাল ট্রায়ালও বন্ধ হওয়ার মুখেই ছিল। কিন্তু হু-র দাবি উড়িয়ে মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) ঘোষণা করেছে, অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ হিসেবে রেমডেসিভিরের কার্যকারিতা প্রমাণিত। আমেরিকায় করোনা চিকিৎসায় রেমডেসিভিরকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এফডিএ।

রেমডেসিভির নির্মাতা সংস্থা গিলিয়েড সায়েন্সেস দাবি করেছে, পাঁচ দিনের ডোজে রেমডেসিভির করোনা রোগীদের সংক্রমণ কমিয়েছে। রোগ সারতে সময় লেগেছে কম করে ১৫ দিন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের তত্ত্বাবধানে বৃহত্তর ক্লিনিকাল ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এনে গিলিয়েড দাবি করেছে, এই ওষুধ সংক্রমণ ঠেকাতে পারে। ৬৪ শতাংশ রোগীর শ্বাসের সমস্যা কমিয়েছে।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনা ধরা পড়ার পরে শুরু থেকেই তাঁকে রেমডেসিভিরের থেরাপিতে রাখা হয়েছিল। পরে স্টেরয়েডের ডোজ শুরু করেন মিলিটারি হাসপাতালের ডাক্তাররা।

বিশ্বের ৩০টি দেশের ১১ হাজার ২৬৬ জন করোনা রোগীর উপরে রেমডেসিভির, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, অ্যান্টি-এইচআইভি ড্রাগ লোপানিভির ও রিটোনাভিরের সলিডারিটি ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এনে হু দাবি করেছিল, এইসব কটি ওষুধই করোনা সারাতে ব্যর্থ। হু-র শীর্ষ বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথনের বক্তব্য ছিল, এইচআইভির ড্রাগ লোপানিভির ও রিটোনাভিরের ট্রায়াল জুন মাসেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বাকি ওষুধগুলির ট্রায়াল চলছিল পাঁচশোরও বেশি হাসপাতালে। এর মধ্যে হাজারের বেশি রোগীকে রেমডেসিভিরের থেরাপিতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু রেমডেসিভিরের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়নি। শুধুমাত্র সঙ্কটাপন্ন রোগীদের ক্ষেত্রেই এই ওষুধের প্রয়োগ করা যেতে পারে এমন দাবিও ছিল হু-র।

গিলিয়েড দাবি করেছে, ল্যাবরেটরিতে  প্রি-ক্লিনিকাল ট্রায়ালে পশুদের শরীরে এই ওষুধ খুব ভালভাবে কাজ করেছিল রেমডেসিভির। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য এই ওষুধকে বেছে নিয়েছিল আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ। মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ)অনুমোদনে করোনা রোগীদের উপরে রেমডেসিভিরের কন্ট্রোলড ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। গিলিয়েডের দাবি, ১২ বছরের উপরে যে করোনা রোগীর উপরেই এই ওষুধের থেরাপি সম্ভব। ভাইরাসের প্রতিলিপি তৈরি বন্ধ করে দিতে পারে এই ওষুধ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More