হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি, সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল ট্রাম্পকে

রোজকার মতোই সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউস চত্বরে কড়া নিরাপত্তাও ছিল। আচমকাই বন্দুক হাতে এক ব্যক্তি ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াইট হাউস চত্বরে কানফাটানো গুলির আওয়াজ। ভেতরে তখন সাংবাদিক বৈঠক করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাঝপথেই ব্রিফিং রুমে ঢুকে পড়েন সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা। সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার হয় ট্রাম্পকে।

সূত্রের খবর, রোজকার মতোই সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউস চত্বরে কড়া নিরাপত্তাও ছিল। আচমকাই বন্দুক হাতে এক ব্যক্তি ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা গুলি চালায় সিক্রেট সার্ভিস। সূত্রের খবর, অজ্ঞাতপরিচয় ওই বন্দুকবাজ গুলিতে আহত। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে টুইট করে সিক্রেট সার্ভিস জানায়, ১৭ নম্বর স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউতে গুলি চলেছে এটা নিশ্চিত। নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে একজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে।

এদিকে সাংবাদিক বৈঠক থেকে আচমকাই ট্রাম্পকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে তুমুল হইচই শুরু হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে ফিরে এসে ট্রাম্প নিজেই ঘটনার কথা সামনে আনেন। তিনি বলেন, “হোয়াইট হাউসে বন্দুক হাতে কেউ একজন ঢুকে পড়েছিল। তাকে ধরে ফেলেছে সিক্রেট সার্ভিস। কী উদ্দেশ্যে সেই ব্যক্তি এসেছিল সেটা নিশ্চিত নয়। পরিচয়ও জানা যায়নি।  তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।“ সিক্রেট সার্ভিসের প্রশংসাও শোনা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখে। তিনি বলেন, “সিক্রেট সার্ভিসকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তারা অসাধারণ। তবে কোনও বড় ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তারা শুধু কিছু সময়ের জন্য আমারে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।”

সিক্রেট সার্ভিসের বক্তব্য, এই গুলি চালানোর ঘটনায় কোনও অফিসারই জড়িত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

হোয়াইট হাউস চত্বরে বিক্ষোভ, গুলি চালানোর ঘটনা নতুন নয়। জর্জ ফ্লয়েডের খুনের প্রতিবাদে যখন বিক্ষোভ-অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা আমেরিকা জুড়ে, তখন বিক্ষোভকারীরা পৌঁছে গিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের দোরগোড়া পর্যন্ত। সারারাত বিক্ষোভকারীরা মিছিল করে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিল হোয়াইট হাউসের সামনে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল ট্রাম্পকে আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কারে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন নিরাপত্তারক্ষী ও গোয়েন্দারা। ঘণ্টাখানেকের জন্য বাঙ্কারে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More