বুধবার, নভেম্বর ১৩

অরুণাচল ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ দেখানো সরকারি ম্যাপ সরিয়ে নিল চিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয় দফার বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিসিয়েটিভ (বিআরআই) সামিট চলার মধ্যেই চিনের সরকারি ওয়েবাসাইটে ম্যাপ বিভ্রান্তি। চিনের বাণিজ্য মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে যে ম্যাপ ছিল তাতে সে দেশের নীতির বিপরীত ম্যাপ নিয়ে তৈরি হয়েছিল জল্পনা। তাতে দেখানো হয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশ ও গোটা জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অঙ্গ। চিন বরাবর ভারতের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। তারা এই ভূখণ্ডকে দক্ষিণ তিব্বত বলে উল্লেখ করে। কিন্তু এই ম্যাপে পাক অধিকৃত কাশ্মীর সহ অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ দেখানো হয়েছিল। পরে সেই ম্যাপ অবশ্য ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার থেকে চিনে বিআরআই-এর দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। অংশ নিয়েছে বিশ্বের ৩৭টি দেশ। ভারত প্রথম থেকেই এই সামিটের বিরোধিতা করে আসছে। ২০১৭ সালে প্রথম সামিটেও অংশ নেয়নি। এবারেও না।

পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে বেজিংয়ের ‘চিন-পাকিস্তান ইকনমিক করিডর’ (সিপিইসি) প্রকল্প নিয়ে বরাবরই আপত্তি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। তার জেরে এ বারও চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরাম’ (বিআরএফ)-এর সম্মেলন বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এ নিয়ে ভারতের বক্তব্য, যে কোনও যোগাযোগ প্রকল্পই অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় রেখে করা উচিত। সিপিইসি-তে সেটা একেবারেই বজায় থাকছে না।

সেই সামিটের সময়ে যে ম্যাপ চিন প্রকাশ করে তাতে ভারতকে বিআরআই-এর অংশ হিসেবেও দেখানো হয়। যদিও ভারত অনেক আগে থেকেই বয়কটের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। কিছুদিন আগেই চিনে ৩০ হাজার ম্যাপ পুড়িয়ে দেয় সরকার। ওই সব ম্যাপে ভারতের অঙ্গ হিসেবে অরুণাচল প্রদেশকে দেখানো হয়েছিল। এমন যে দেশের নীতি সেখানে কী করে সরকারি ওয়েবসাইটে এহেন ম্যাপ আপলোড করা হয়েছিল সেটাই বিস্ময়ের।

Comments are closed.