জোড়া ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ল বাড়িঘর-বহুতল, চিন মৃত ১১, আহত শতাধিক, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার রাতে পর পর দু’বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিনের সিচুয়ান প্রদেশ। মঙ্গলবার সকালেও বেশ কয়েকবার ‘আফটার শক’ অনুবূত হয়। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ১১ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জখম অন্তত ১২২ জন। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে এখনও অনেকের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    চিনের ভূমিকম্প সেন্টার (CENC)জানিয়েছে, প্রথম কম্পন হয় সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা নাগাদ। ইবিন সিটির চ্যাঙনিঙ কাউন্টিতে। ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৬.০। এই কম্পনের রেশ মেলাতে না মেলাতেই ফের ৫.৩ তীব্রতার কম্পনে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ভেঙে পড়ে বাড়িঘর, ফাটল দেখা দেয় রাস্তাতেও। আতঙ্কে রাস্তায় বেরিয়ে আসে লোকজন।

    স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে দেখানো হয় ধসে পড়ছে বাড়িঘর। ফাটল দেখা দিয়েছে অনেক বহুতলেও। ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষজনকে উদ্ধারের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রাও।

    চিনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম জিনহুয়া জানিয়েছে, ইবিন শহরের আশপাশের এলাকাগুলিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দল জানিয়েছে, মঙ্গলবার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আরও চারজনকে উদ্ধার করা গেছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। ভিতরে এখনও দু’জনের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের রিপোর্ট বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল চ্যাঙনিঙের ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল)গভীরে। ইতিমধ্যেই ভমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে অন্তত ৫০ হাজার টেন্ট, ১০ হাজার বিছানার বন্দোবস্ত করেছে সরকারি দফতর। সিচুয়ান থেকে ৬৩ জন দমকলকর্মীর একটি দল ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More