তৃণমূল পেটাল তৃণমূলকে, দিনহাটায় তুলকালাম

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিনহাটা আছে দিনহাটাতেই।

কোচবিহারে ফের তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। এবার যুব তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মারামারিতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দিনহাটা কলেজ চত্বর। বাঁশ, লাঠি, হকিস্টিক নিয়ে সোমবার দফায় দফায় চলল মারামারি। যাতে আহত হয়েছে দুই গোষ্ঠীর অনেকে।

জানা গিয়েছে, দিনহাটার যুবনেতা অজয় রায়ের গোষ্ঠীর সঙ্গে অনেকদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলছিল বিধায়ক উদয়ন গুহর ছাত্র গোষ্ঠীর। এদিন তা-ই চলে আসে প্রকাশ্যে। একদা তৃণমূলের ডাকাবুকো যুব নেতা বিজেপির সাংসদ হওয়ার পর থেকে দিনহাটা শহরে যুব তৃণমূলের নেতা অজয়ই। উল্টোদিকে দিনহাটা কলেজের ছাত্র ইউনিট আবার উদয়নবাবুর কথায় চলে। এই নিয়ে গোলমাল।

শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল এমন জায়গায় যায় যে ওই চত্বরে পাঠাতে হয় বিরাট পুলিশবাহিনী। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ধে পর্যন্ত খবর, কলেজ এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

কোচবিহারে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল নতুন কিছু নয়। কখনও রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বনাম মিহির গোস্বামীর লড়াই তো কখনও মাদার বনাম যুব—বারবার সতর্ক করেও কোচবিহারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারেনি কালীঘাট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধমকে সাময়িক শান্ত হলেও কিছু দিন যাওয়ার পর আবার নিজেদের রূপ ধরে নেন কোচবিহারের তৃণমূল নেতারা।

ছাত্র সংগঠনের মধ্যেও অতীতে ব্যাপক কোন্দল দেখা গিয়েছে। এই দিনহাটা কলেজেই মারামারিতে মৃত্যু হয়েছিল এক টিএমসিপি কর্মীর। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকেই একবার জেলা সভাপতি বলে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন রবিবাবু। লোকসভায় হারের পর উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায় গোষ্ঠী কোন্দলকেই দায়ী করেছিল তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। কোন্দল থামাতে কোচবিহারের জেলা সভাপতি পদ থেকে রবি ঘোষকে সরিয়ে দেন নেত্রী। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি বদলাল না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More