বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৩
TheWall
TheWall

তৈমুরের ন্যানির মাইনে কত? জবাবে কী বললেন করিনা

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্টার কিড তৈমুর আলি খান। সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজ ফিডে আকছার খুঁজে পাওয়া যায় এই খুদের ছবি। তৈমুরের প্লে স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে পরিবারের সঙ্গে কাটানো ছুটির মুহূর্ত, সবকিছুই ভাইরাল হয় নিমেষে। গত বছর ২০ ডিসেম্বর নবাব খানদানের সবচেয়ে ছোট এই সদস্যের বয়স হয়েছে সবে ৩ বছর। এই বয়সেই জনপ্রিয়তায় তৈমুর টেক্কা দিতে পারে বিটাউনের যে কোনও তারকাকে।

শুধু তৈমুর নয়, আজকাল নেট দুনিয়ায় ট্রেন্ডিং এই স্টারকিডের ন্যানিও। হামেশাই ন্যানির সঙ্গে দেখা যায় তৈমুরকে। করিনা এবং সইফ ছাড়া পাপারাৎজির ছবিতে সবচেয়ে বেশিবার ধরা পড়েছেন এই মহিলায়। নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে তৈমুরের ন্যানির মাইনে নিয়েও। পরনে সাদা বা হাল্কা আকাশি কিংবা হাল্কা গোলাপি রংয়ের পোশাক। মুখে হাসি লেগে রয়েছে সারাক্ষণ। তিনি তৈমুরের খেলার সঙ্গী। তাকে স্কুলেও নিয়ে যান। প্রয়োজনে শাসন করেন। আবার আদর-ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন। তৈমুরের নাড়ি-নক্ষত্র তাঁর নখদর্পণে। কিন্তু ক্যামেরা নিয়ে কেউ তৈমুরের একটু বেশি কাছাকাছি এসে গেলে আর রক্ষে নেই। একদম বকে-ধমকে তাঁকে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন তিনি।

আরও পড়ুন- ‘ব্রেন অপারেশন হতে যাচ্ছে, কে বলবে! এমনই সাহসী ও’, হৃতিকের জন্মদিনে মা পিঙ্কি রোশন

তবে তৈমুরের ন্যানির বাকি ব্যাপারে কৌতূহল না থাকলেই তাঁর বেতন কত সেটা জানতে বরাবরই উৎসুক আমজনতার একটা বড় অংশ। লাখ টাকার এই প্রশ্ন বেশ অনেকদিন ধরেই ঘুরছে বলিউডের অন্দরমহলেও। মাঝে শোনা গিয়েছিল, অনেক উচ্চপদস্থ সরকারি আমলাদের থেকেও নাকি বেশি মাইনে তৈমুরের ন্যানির। শুধু তাই নয়, হাইপ্রোফাইল বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত অনেক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের মাইনের সঙ্গে অনায়াসেই পাল্লা দিতে পারেন তিনি। এখানেই শেষ নয়। বেশ কয়েকমাস আগে রটেছিল যে তৈমুরের ন্যানি নাকি  মাসে নাকি দেড় লাখেরও বেশি মাইনে পান। ওভারটাইম-উপরি পাওনা সব মিলিয়ে তাঁর হাতে নাকি আসে প্রায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। 

সম্প্রতি এ ব্যাপারেই পিঙ্কভিলার একটি সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়েছিল করিনাকে। অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয় তৈমুরকে দেখভালের জন্য ন্যানিকে কত টাকা মাইনে দেওয়া হয়? পাশাপাশি তৈমুরের ন্যানির মাসিক দেড় লাখের মাইনের খবর সম্পর্কেও জিজ্ঞেস করা হয় করিনাকে। প্রশ্ন এবং এমন তথ্য শুনে বেজায় চমকে যান বেবো। খানিক হতবাক হয়েই জবাবে বলেন, “তাই নাকি? কিন্তু এ ব্যাপারে আমি তো কারও সঙ্গে কথা বলিনি। তাহলে লোকে এসব জানল কোথা থেকে।”

এর আগে আরবাজ খানের একটি টক শোতে এসেও এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন করিনা। সেখানেও বেবো বলেন, “সন্তানের আনন্দ এবং নিরাপত্তার কোনও দাম হয় না। আসল কথা হলো যাতে তৈমুর ভালো থাকে, হাসিখুশি থাকে এবং নিরাপদে থাকে। এসব জিনিস টাকা দিয়ে মাপা যায় না।” পাশাপাশি তৈমুরের প্রতি পাপারাৎজির অতিরিক্ত আকর্ষণ নিয়ে যে তিনি এবং সইফ বেশ বিরক্ত সে কথাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন। করিনা বলেন, “মাঝে মাঝে এত বাড়াবাড়ি হয় যে বিরক্তি লাগে। চারদিকে সবার আগ্রহ তৈমুরকে নিয়ে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কৌতূহলীদের ভিড়। আমার ছেলের একটা সাধারণ জীবন হোক সেটাই চাই। অতিরিক্ত লাইমলাইট ওর জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকি আমি আর সইফ।”

Share.

Comments are closed.