দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তানের জন্ম, হতাশায় ৪ বছরের বড় মেয়েকে খুন করল মা, গ্রেফতার অভিযুক্ত

১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয়বার কন্যা সন্তানের মা হয়েছিলেন এক মহিলা। আর এটা মোটেও পছন্দ হয়নি তাঁর। তাই নিজের হাতেই প্রথম সন্তানকে খুন করেছেন ওই মহিলা। পুলিশ জানিয়েছে, বাথরুমের দেওয়া মাথা ঠুকে বড় মেয়েকে মেরে ফেলেছেন অভিযুক্ত। একজন মা কীভাবে তাঁর সন্তানের সঙ্গে এমনটা করতে পারেন তাই ভেবেই হতবাক পুলিশ কর্তারাও। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা বিহার থেকে আসা এক পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলার বড় মেয়ের বয়স মাত্র ৪ বছর। ওই একরত্তি মেয়েকে বাথরুমের দেওয়ালে আর মেঝেতে বারবার আছড়ে ফেলেছে তার মা। বারবার মাথা ঠুকে দেওয়ায় গুরুতর চোট পায় বাচ্চাটি। মাথায় গুঁড়তর চোটের জেরেই মৃত্যু হয়েছে বাচ্চাটির। পুলিশ জানিয়েছে, মহিলার নাম প্রিয়াঙ্কা। তিনি টিঙ্কু যাদব নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী। মাত্র ২ মাস আগে দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তবে ছেলে না হওয়ায় নাকি হতাশ ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু তার জেনে তিনি এমন কাণ্ড ঘটাবেন তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কেউ।

জানা গিয়েছে, কাজের জন্য বিহার থেকে লুধিয়ানা এসেছিলেন শ্রমিক টিঙ্কু। সঙ্গে এসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা ও তাঁদের প্রথম কন্যা সন্তান দর্পণ। নভনীত নগরের সালেম তাবরি এলাকায় থাকতেন তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন বড় মেয়েকে স্নান করাতে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু বাথরুমে আচমকাই মেয়েকে মারতে শুরু করেন তিনি। পালানোর সুযোগটুকুও পায়নি ওই একরত্তি। তার আগেই সব শেষ। বাথরুমের মেঝে আর দেওয়ালে বারবার আছাড় মারায় মাথায় গুরুতর চোট পায় বাচ্চাটি। এর জেরেই মৃত্যু হয়েছে তার।

ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত প্রিয়াঙ্কাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খুনের অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। পুত্রসন্তান না হওয়ায় স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির তরফে প্রিয়াঙ্কা উপর কোনও চাপ ছিল কিনা কিংবা নিজের সন্তানকে খুনের মতো ঘৃণ্য কাজ কারও পরামর্শে প্রিয়াঙ্কা করেছেন কিনা সে ব্যাপারে জানতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কথা বলা হচ্ছে বাচ্চাটির বাবার সঙ্গেও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More