বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজির ‘অটো’ ইমোজি, পাঠাতে গেলে বলবে না তো ‘যাবো না’!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাঝে মাঝেই হোয়াটসঅ্যাপে নজরে আসে নতুন নতুন ইমোজি। মনের ভাব কষ্ট করে কথায় লেখার দরকার নেই। একটা ইমোজিই এখন আপনি কী ভাবছেন তা বোঝানোর জন্য যথেষ্ট। জেন ওয়াইয়ের মধ্যে এইসব ইমোজি ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে শুধু তরুণ প্রজন্ম নয় প্রৌঢ় থেকে ৬৫ পেরনো বৃদ্ধ—-ইমোজিকে ভালোবাসার দলে রয়েছেন সকলেই।

আর ইমোজির প্রতি জনগণের এই ভালোবাসা থেকে Unicode Consortium-সংস্থা নিয়ে এসেছে আরও একগুচ্ছ নতুন ইমোজি। যার মধ্যে রয়েছে ‘অটো’। নাহ হালফিলের হলুদ-সবুজ অটো নয়, একেবারে পুরনো ফ্লেভারের হলুদ-কালো অটোই এ বার ফিরে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর Unicode Consortium-র এই ঘোষণার পর থেকেই টুইটারে ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন মজার মিম।

কলকাতা শহরের অটো দৌরাত্ম্য এখন কারও অজানা নয়। প্রায় রোজই অটোর দৌলতে ভোগান্তি হয় নিত্যযাত্রীদের। একই অবস্থা মুম্বইতেও। ব্যস্ত নগরীতে যাত্রীকে মুখের উপর সাফ ‘যাবো না থুড়ি নেহি জায়েঙ্গে’ বলে দেওয়াটা যেন একদম অভ্যাস হয়ে গিয়েছে একদল অটো চালকের। ফলে নিত্যদিন হয়রানির শিকার নিত্যযাত্রীরা। অফিস টাইমের প্রচণ্ড ভিড়ে কার্যত নাকানিচোবানি খেয়ে নাজেহাল হন তাঁরা। প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সবই রয়েছে, খালি সুরাহা বা সমাধানটাই নেই।

আর তাই নতুন ‘অটো’ ইমোজির কথা শোনার পর থেকেই দেদার মিম বানাচ্ছেন নেটিজেনরা। জেন ওয়াইয়ের একাংশ বলছেন, এ বার থেকে কোনও কিছুতে ‘না’ বলতে হলে তাঁরা নাকি অটোর ইমোজিই ব্যবহার করবেন। কিন্তু এমনটা কেন? তরুণ প্রজন্মের প্রায় সবারই একটাই মত, অটো চালকদের থেকে না শুনে শুনে সমাজ ক্লান্ত। কোনও কিছুতে না বলার জন্য এর চেয়ে ভালো ইমোজি আর কিই বা হতে পারে। কেউ কেউ মজা করে লিখেছেন, ইমোজি পাঠাতে গেলে স্বয়ং অটোর ইমোজিও নাকি বলছে ‘যাবে না’।

তবে অটোর ইমোজি নিয়ে মিম বানানোর বেশিরভাগই মুম্বইয়ের বাসিন্দা। কেউ বলছেন কেবল বান্দ্রা গেলে এই অতোর দেখা মিলবে, তো কেউ বা একদম জায়গা নির্দিষ্ট করে বলে দিচ্ছেন, ‘এই ইমোজি দক্ষিণ মুম্বইয়ের বাসিন্দাদের জন্য নয়।’ কেউ আবার রণবীর সিং-এর ‘গলি বয়’-এর সুরে বলেছেন, ‘আপনা টাইম আয়েগা’। যার মানে অন্তত এ বার বোধহয় আর অটোচালকদের থেকে ‘যাব না’ শুনতে হবে না।

Comments are closed.