গান্ধী পরিবারের যে ‘ব্র্যান্ড ইকুইটি’ আছে, তা আর কারও নেই: অধীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের সনিয়া গান্ধী অন্তর্বর্তী কংগ্রেস সভানেত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি নেতারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে। কিন্তু লোকসভার কংগ্রেস নেতা তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দিলেন, “বাইরের অন্য কোনও নেতার পক্ষে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া শক্ত। কারণ গান্ধী-নেহেরু পরিবারের একটা ব্র্যান্ড ইকুইটি আছে। সেটা আর কারও নেই।” তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিতে একটা ব্র্যান্ড ইকুইটির ব্যাপার আছে। এখনকার বিজেপি কি নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহকে বাদ দিয়ে চলতে পারবে? উত্তর হচ্ছে, না।”

বস্তুত কংগ্রেসি রাজনীতির যাবতীয় আবেগ ওই পরিবারকে ঘিরেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, পোড় খাওয়া অধীর চৌধুরী গোটা ব্যাপারটা বুঝেই এ কথা বলেছেন। সনিয়া গান্ধীর প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে বলেন, “যখনই কংগ্রেস সংকটে পড়েছে, দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী। তাঁর জন্যই কংগ্রেস ২০০৪ এবং ২০০৯-এ সরকার গঠন করেছিল।”

ভারতবর্ষের রাজনীতির চাকা আগামী দিনে কোন পথে এগোবে, সে ব্যাপারেও নিজের ধারণার কথা বলেছেন অধীর। তাঁর কথায়, “কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবন নির্ভর করছে আঞ্চলিক দলগুলির শক্তি কতটা কমবে তার উপর।” তিনি মনে করেন বিজেপি-র সঙ্গে সমানে সমানে লড়তে পারে একমাত্র কংগ্রেসই। যে মতাদর্শগত ভিত্তি কংগ্রেস দলের রয়েছে তা অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের নেই বলেই মত প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির। তিনি বলেন, “ভারতের রাজনীতির ভবিষ্যৎ দ্বিমেরু রাজনীতির দিকেই এগোচ্ছে। সে দিকে এগোলেই কংগ্রেস ফের ক্ষমতায় আসতে পারবে। কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ উজ্বল।”

লোকসভা ভোটে সারা দেশে ভরাডুবি হয়েছে কংগ্রেসের। কিন্তু অধীরবাবুর মতে, বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী প্রোজেক্ট করে ভোটে লড়ত, তাহলে ফলাফল অন্যরকম হতো। তাঁর কথায়, “নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনকে বিজেপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর্যায় নিয়ে গিয়েছিল।” লোকসভা ভোটের প্রচারে মানুষের সামনে বিজেপি বারবার প্রশ্ন তুলেছে, বিরোধীরা জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? আর কংগ্রেস-সহ বাকিরা বলেছে, ওটা পরে ঠিক হবে। অধীরবাবুর মত, এটা নাহলে বিজেপি এই জায়গায় যেত না।

কংগ্রেসের নেতৃত্বে বৃদ্ধতন্ত্র নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কম সমালোচনা নেই। এ ব্যাপারে বহরমপুরের পাঁচ বারের সাংসদ বলেন, “নতুন এবং পুরনোর মিশেলেই দল সাফল্য পাবে। এক একজনের এক এক রকম ভাবনা হতে পারে। কিন্তু লক্ষ্য সবারই এক।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More