“আমি চললাম”, অনলাইন ক্লাস করতে না পারায় আত্মঘাতী কেরলের কিশোরী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় অনলাইন ক্লাস করতে পারেনি ক্লাস নাইনের ছাত্রী দেবিকা। আর তার জেরেই বছর ১৪-র ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেছে পরিবার। কেরলের মালাপ্পুরমের এই ঘটনায় হতবাক সকলেই।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন জারি হয়েছিল ভারতে। সম্প্রতি ১ জুন থেকে সরকার অনেক বিধিনিষেধ শিথিল করে ছাড় দিলেও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। পড়ুয়াদের যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য অনলাইন ক্লাসে চলছে পড়াশোনা।

তবে এই অনলাইন ক্লাসে যোগ দিতে পারেনি দেবিকা বালাকৃষ্ণন। অভাবের সংসারে স্মার্টফোন বিলাসিতা। বাড়ির টিভিও খারাপ হয়ে গিয়েছিল। দেবিকার পরিবার জানিয়েছে, মেয়ে বারবার টিভি সরিয়ে দিতে বলেছিল। অনলাইন ক্লাস করতে না পারায় কয়েকদিন ধরেই মনমরা ছিল সে। তবে এমন সাংঘাতিক কাণ্ড যে দেবিকা ঘটিয়ে বসবে তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি তার বাড়ির লোক।

জানা গিয়েছে, স্থানীয় সরকারি স্কুলে পড়ত দেবিকা। তার বাবা পেশায় দিনমজুর। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন। টান পড়েছে সঞ্চয়েও। মেয়ে বারবার বলার পরেও তাই টিভি সারিয়ে উঠতে পারেননি। ক্লাস নাইনের এই ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, গায়ে আগুন গিয়ে আত্মহত্যা করেছে দেবিকা। তার বাড়ির পাশেই পরিত্যক্ত একটি বাড়ির সামনে থেকে পাওয়া গিয়েছে দেবিকার দেহ। দেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ফাঁকা কেরোসিনের ড্রাম। এছাড়াও পুলিশ একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। যেখানে লেখা ছিল ‘আমি চললাম’। কিশোরীর বাবা জানিয়েছেন সোমবার দুপুরের পর থেকেই নিখোঁজ ছিল দেবিকা। তারপর উদ্ধার হয় তার দেহ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More