বিকাশকে টানা ৮ ঘণ্টা জেরা, লখনউ থেকে গ্রেফতার গ্যাংস্টারের স্ত্রী ও ছেলে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রেফতার হওয়ার পর টানা ৮ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে গ্যাংস্টার বিকাশ দুবেকে। সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। তারা জানিয়েছে, নিয়মিত উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি পুলিশ আধিকারিকরা এও বলেছেন যে আজ সকালে বিকাশ দুবেকে পাকড়াও করার অভিযানে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ খুবই ভাল কাজ করেছে। আর কিছুক্ষণ দেরি হলে হয়তো এ বারেও হাতছাড়া হয়ে যেত বিকাশ।

অন্যদিকে জানা গিয়েছে, বিকাশ দুবেকে এ বার হেফাজতে নেবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। সূত্রের খবর, লখনউ থেকে বিকাশের স্ত্রী রিচা দুবে এবং তার ছেলেকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লখনউয়ের কৃষ্ণনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের। জানা গিয়েছে, আজ উজ্জয়ীনীর মহাকাল মন্দিরে গিয়ে ২৫০ টাকার ভিআইপি টিকিট কেটেছিল বিকাশ এবং তার নাম-পরিচয় জানতে যাওয়ায় ভুয়ো পরিচয় দেয় সে।পুলিশের দাবি এ কথা জেরায় জানিয়েছে বিকাশ নিজেই।

প্রসঙ্গত, আজ সকালেই উত্তরপ্রদেশের এটাহ জেলায় পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয়েছে বিকাশের দুই সঙ্গী। তাদের মধ্যে একজনের নাম জানা গিয়েছে রণবীর। অন্যজন প্রভাত মিশ্র। পুলিশ জানিয়েছে, ফরিদাবাদের একটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে মাস্ক পরা এক ব্যক্তিকে দেখে বিকাশ দুবে বলে সন্দেহ হয় পুলিশের। সেই জন্য ওই হোটেলে তল্লাশি চালাতে যায় পুলিশবাহিনী। তখনই পালাতে গিয়ে এনকাউন্টারে মারা যায় রণবীর। তার থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করে পুলিশ। রণবীর মারা গেলেও বিকাশের আর এক সঙ্গী প্রভাত মিশ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু ফরিদাবাদ থেকে কানপুর আনার সময় পুলিশের গাড়ির টায়ার পাংচার হয়। সেই সময়ই পালানোর চেষ্টা করে প্রভাত। আর তখনই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় তারও।

এরপর আজ সকালেই উজ্জয়ীনীর মহাকাল মন্দির থেকে নাটকীয় ভাবে গ্রেফতার হয় বিকাশ দুবে। তদন্তকারী আধিকারিকা আগেই অনুমান করেছিলেন মধ্যপ্রদেশে পালাতে পারে বিকাশ। সেই মতোই চলছিল তল্লাশি। সূত্রের খবর, এ দিন মহাকাল মন্দিরের সিসিটিভিতে ধরা পড়েছিল বিকাশের গতিবিধি। এর পাশাপাশি পুজোর ডালি বিক্রেতা এক দোকানদারই নাকি প্রথম খবর দেয় পুলিশকে। এ ছাড়াও জানা গিয়েছে, মন্দিরের এক নিরাপত্তারক্ষীও বিকাশের আসার ব্যাপারে খবর দিয়েছিল পুলিশকে।

গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কানপুরের বিকরু গ্রামে বিকাশের সাতমহলা বাড়িতে হানা দিয়েছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। তবে আগে থেকেই খবর পেয়ে সতর্ক ছিল বিকাশ এবং তাঁর দলবল। পুলিশ বাড়ির কাছাকাছি আসতেই ছাদ থেকে শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলিবৃষ্টি। সেই সঙ্গে উড়ে আসতে থাকবে বড় বড় পাথর। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এক ডিএসপি-সহ মোট আটজন পুলিশকর্মী। আহত হন আরও ৭ জন। এই ঘটনার পর ৬ দিন ধরে পলাতক ছিল বিকাশ। সাতদিনের মাথায় গ্রেফতার হয়েছে সে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More