রবিবার, আগস্ট ২৫

বাবাকে ঘরে বন্ধ করে দিয়ে শিশুকে ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচালো ১৫ বছরের কিশোরী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটি ১৫ বছরের কিশোরীর সাহস ও উপস্থিত বুদ্ধিতে মারাত্মক অপরাধের শিকার হতে গিয়ে বেঁচে গেল চার বছরের একটি শিশু। শিশুটিকে ধর্ষণ করতে যাচ্ছিল এক প্রৌঢ়। ঠিক সময়ে দেখে ফেলে লোকটিরই ১৫ বছরের মেয়ে। দেখেই সে ঘরে ঢুকে পড়ে বাচ্চাটিকে টেনে বার করে আনে বাবার থাবা থেকে। তার পর বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার জামশেদপুরের সোনারি এলাকায়। চার বছরের শিশুটি ঝাড়খণ্ডের চাঁইবাসা এলাকার বাসিন্দা। সে তার দাদু-দিদার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। তাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে নিজের বাড়িতে ডেকে আনে সুরেশ বোদরা নামে ওই লোকটি। তার পর তাকে ধর্ষণ করতে যায়। ঠিক এই সময়ে ঘটনাটি দেখে ফেলে অভিযুক্তের নিজের মেয়ে। বাবাকে চরম অপরাধ করার চেষ্টা করতে দেখে ১৫ বছরের মেয়েটি চিৎকার করে ওঠে। তাড়াতাড়ি ঘরে ঢুকে বাচ্চাটিকে টেনে বার করে আনে। তার পর বাবাকে ভিতরে রেখে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।

ইতিমধ্যে চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে যায়। অভিযুক্তকে ধরে মারধর করতে শুরু করে। মেয়েটি স্থানীয় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জানায়। তাঁরাই শিশুটিকে আদর্শ সেবা সংস্থান নামে স্থানীয় চাইন্ডলাইনে খবর দেন। পুলিশ সুরেশকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, সুরেশ ঘটনার সময় মত্ত অবস্থায় ছিল। সে এমনিতেই নিয়মিত মদ খায় ও পরিবারের উপর অত্যাচার করে বলে সুরেশের স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা পুলিশকে জানিয়েছে। তার ভয়ে তার পরিবার মুখ খুলতে সাহস পায় না। এর আগেও সে এলাকার মহিলাদের নানা ভাবে উত্ত্যক্ত করেছে। শনিবারের ঘটনায় কিশোরী মেয়েটির যে সাহস ও বুদ্ধি দেখে  পুলিশ ও প্রতিবেশীরা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

Comments are closed.