বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২

জুনের পয়লা তারিখ নয়, ৬ জুন কেরলে ঢুকবে বর্ষা, জানাল আইএমডি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ধারিত সময়ের থেকে পাঁচ দিন দেরিতে কেরলে ঢুকবে বর্ষা। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সাধারণ জুনের পয়লা তারিখেই কেরলে আসে বর্ষা। তবে চলতি বছর ১ জুনের পরিবর্তে ৬ জুন কেরলে বর্ষা আসবে বলেই জানিয়েছে আইএমডি।

একটি বিবৃতি দিয়ে আইএমডি-র তরফে জানানো হয়েছে, স্ট্যাটিস্টিক্যাল মডেল-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী এ বছর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু খানিকটা দেরিতেই ঢুকবে ভারতে। ফলে ১ জুনের পরিবর্তে কেরলে বর্ষা আসবে ৬ জুন। তবে মে মাসের ১৮ থেকে ১৯ তারিখের মধ্যেই আন্দামান সাগরের দক্ষিণ ভাগ, নিকোবর এবং বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব ভাগ দিয়ে বইবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। ফলে আবহাওয়া অনুকূল থাকবে বলেই মনে করছেন আইএমডি কর্তারা।

এর আগে মঙ্গলবার ১৪ মে বেসরকারি সংস্থা স্কাইমেট জানিয়েছিল, বর্ষা আসবে নির্ধারিত সময়ের থেকে তিন দিন পরে। অর্থাৎ ১ জুন নয় কেরলে বর্ষা ঢুকবে ৪ জুন। এমনকী স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছিল স্কাইমেট।

ভারতবর্ষের অর্থনীতির একটা বড় অংশ নির্ভর করে কৃষির উপর। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ৬০ শতাংশেরও বেশি ভারতবাসী কৃষির উপরেই নির্ভরশীল। আর এই কৃষির সম্পূর্ণ ভবিষ্যতটাই টিকে থাকে মরশুমে কতটা বৃষ্টি হবে তার উপর। সেক্ষেত্রে দেরিতে বর্ষার আগমন এবং স্বাভাবিকের তুলনায় কম পরিমাণ বৃষ্টি নিঃসন্দেহে চিন্তার। কারণ বার্ষিক বৃষ্টিপাতের ৭০ শতাংশ বৃষ্টিই নিয়ে আসে এই মরশুমের বর্ষা। যার উপর নির্ভরশীল এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।

তবে আইএমডি-র রিপোর্টে বৃষ্টির পরিমাণ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। এমনকী এও বলা হয়নি যে চলতি মরশুমে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে দেশ জুড়ে। এর আগে চলতি বছর এপ্রিল মাসে আইএমডি অবশ্য জানিয়েছিল, বর্ষা আসবে সময়েই। এবং বৃষ্টির পরিমাণ গত ৫০ বছরের মতোই থাকবে। গত ৫০ বছরে গড় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৮৯ সেন্টিমিটার। এই বছরেও বৃষ্টির পরিমাণ এর আশেপাশেই থাকবে বলে জানিয়েছিলেন আইএমডি কর্তারা। তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছিল জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা চার মাসের বর্ষার মরশুমে প্রতিবছরের মতোই স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হবে। যার পরিমাণ ৯৬ থেকে ১০৪ শতাংশ।

Comments are closed.