গর্ভবতী হস্তিনী হত্যায় কেরলে গ্রেফতার ১, আটক সন্দেহভাজনদের চলছে জিজ্ঞাসাবাদ, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে জারি তল্লাশি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেরলে গর্ভবতী হস্তিনী হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে টুইট করে একথা জানিয়েছে কেরলের বনবিভাগ।

    এছাড়াও এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক তিন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে জোরকদমে চলছে তল্লাশি।

    কেরলের বনমন্ত্রী কে রাজু জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া বছর চল্লিশের এই ব্যক্তিই সম্ভবত বিস্ফোরক সরবরাহ করেছিল। তার শাগরেদদের আপাতত খোঁজ চলছে। জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তি রবার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মূলত রবার নিষ্কাশনের কাজ করে।

    বছর ১৫-র এক গর্ভবতী হস্তিনীকে বাজি ঠাসা আনারস খাইয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কেরলের পালাক্কড় জেলায়। এই ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন কেরলের বনবিভাগের আধিকারিক মোহন কৃষ্ণণ। গত ২৭ মে মৃত্যু হয় হস্তিনীর।

    হস্তিনীর এমন মর্মান্তিক পরিণতির কথা জানার পরে ক্ষোভ আছড়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নিন্দায় সরব হন সেলিব্রিটি থেকে আমজনতা। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সকলেই। বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে সারা দেশ জুড়ে।

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও জানিয়েছেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। কেরল পুলিশের ৮ সদস্যের একটি দল ইতিমধ্যেই হস্তিনীর মৃত্যুর জায়গা ঘুরে দেখে এসেছেন তদন্তের জন্য।

    এই হস্তিনীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পর আরও এক হস্তিনীর মৃত্যুতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কেরলের এক বন আধিকারিক। তিনি জানিয়েছেন, গত এপ্রিল মাসে কেরলে একটি হস্তিনীর মৃত্যু হয়। তার মুখে ঘা ছিল। এছাড়াও চোয়াল ভাঙা ছিল হস্তিনীর।

    ওই বন -আধিকারিকের অনুমান সম্ভবত ওই হস্তিনীর মুখেও বিস্ফোরক জাতীয় কিছু ফেটেছিল। যার জেরেই চোট-আঘাত পায় হস্তিনীটি এবং মৃত্যু হয় তার। জানা গিয়েছে এই হস্তিনীর মৃত্যু হয়েছিল কোল্লাম জেলায়। সেখানকার বনাঞ্চলের বাসিন্দা ছিল এই হাতিটি।

    বনবিভাগের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, জখম অবস্থায় হাতিটিকে পাথানাপুরম জঙ্গলের কাছে একটি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। উদ্ধার করার পরের দিন মৃত্যু হয় হস্তিনীর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More