বিহারের বন্যায় মৃত ২১, ক্ষতিগ্রস্ত ৬৯ লক্ষ, ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে বিহারে। নেপালে উৎপন্ন হওয়া বেশ কিছু নদীর জল হু হু করে ঢুকছে বিহারের উত্তরভাগে। ১৬টি জেলার মোট ১১৮৫টি পঞ্চায়েত এলাকা বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬৯.০৩ লক্ষ লোক। গত ২৪ ঘণ্টায় সিয়ান জেলায় নতুন করে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে বিহারের বন্যায় মৃতের সংখ্যা মোট ২১ জন। একদিনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় তিন লাখ। ক্ষতিগ্রস্ত পঞ্চায়েতের সংখ্যা ১১৬৫ থেকে ১১৮৫-তে পৌঁছেছে। এর আগে দ্বারভাঙায় সাতজন, মুজফফরপুরে ছয়জন, পশ্চিম চম্পারণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বন্যায়।

অন্যদিকে খাগরিয়া জেলায় বুড়ি গণ্ডক নদীর কাছে তাঁতি টোলা এলাকায় নদীর পাড় ভেঙেছে। বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা জানিয়েছেন, নদীর পাড় মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অকারণ আতঙ্কিত হতে বারণ করেছেন তিনি। দ্বারভাঙা, মুজফফরপুর, পশ্চিম চম্পারণ, সিয়ান ছাড়াও বিহারের সীতামারী, সুপাল, পূর্ব চম্পারণ, সেওহার, কৃষ্ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, মাধেপুরা, মধুবনি, সমস্তিপুর, এইসব জেলাও বন্যায় ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিহারে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে দুর্গতদের উদ্ধারের জন্য এনডিআরএফ এবং রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল মিলিয়ে মোট ৩৩টি টিম কাজ করছে। ইতিমধ্যেই ৪.৮২ লক্ষ মানুষকে জলমগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১২,২৩৯ জন মোট ৮টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রায় ১০ লক্ষ মানুষকে ১৪০২টি কমিউনিটি কিচেনে প্রতিদিন খাওয়ানো হচ্ছে। এ ছাড়াও অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, বয়স্ক মানুষ এবং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিয়েছেন উদ্ধারকারী কর্মীরা। খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ারও যথা সম্ভব চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More