বুধবার, মার্চ ২০

আন্দামান সাগরে ঢুকে পড়ল ‘পাবুক’, হাই অ্যালার্ট জারি ওড়িশাতেও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্বাভাস আগেই ছিল। মৌসম ভবন জানিয়েছিল আন্দামান-নিকোবরে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড় ‘পাবুক’। সেই অনুযায়ী ৫ জানুয়ারি, শনিবার বিকেলের পরেই আন্দামান সাগরে প্রবেশ করেছে ‘পাবুক’। পোর্টব্লেয়ার থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই ঝড়। জানা গিয়েছে, ৬ জানুয়ারি রবিবার আন্দামানের উপর দিয়ে বয়ে যাবে এই ঘূর্নিঝড়।

ইতিমধ্যেই ‘পাবুক’-এর দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে থাইল্যান্ড। শুক্রবার বিকেল থেকেই সেখানে শুরু হয়েছে ‘পাবুক’-এর তাণ্ডবলীলা। এরপরেই ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে যায় মায়ানমারের দিকে। আর সেই সময়েই পূর্বাভাস জারি করেছিল হাওয়া অফিস। জানা গিয়েছিল আন্দামান-নিকোবর উপকূলেও প্রভাব ফেলবে এই ঘূর্ণিঝড়। আবহাওয়া দফতরের অনুমান, ‘পাবুক’-এর তাণ্ডবে সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা ২ থেকে ৩ মিটার পর্যন্তও হতে পারে। জানা গিয়েছে, আন্দামানের পর এই ঘূর্ণিঝড় আরও উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হবে। তারপর ফের ফিরে আসবে মায়ানমারের দিকেই। অনুমান, এরপর জানুয়ারির ৭ কিংবা ৮ তারিখ থেকে শক্তি কমবে ঘূর্ণিঝড়ের।

দক্ষিণ চিন সাগরে তৈরি হওয়া শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ের জন্য আন্দামানে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। প্রবল বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে আন্দামান এবং নিকোবরে। তবে পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি ভাবে প্রভাব ফেলবে না ‘পাবুক’। কিন্তু উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের অংশে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশায় ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে সতর্কতা। পুরী, বালাসোর, ভদ্রক, জগতসিংপুর, কেন্দাপাড়া, গঞ্জাম, খুদরাপাড়া—–ওড়িশার এই সাত জেলায় জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। মৎসজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতেও বারণ করা হয়েছে।

Shares

Comments are closed.