একদিনে কোভিড পজিটিভ ৯৩০৪, ফের রেকর্ড সংক্রমণ দেশে, তবে সুস্থও হয়েছেন এক লাখের বেশি

দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ পেরিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সকাল ৮টার বুলেটিনে দেখা গেছে, দেশে এখন মোট কোভিড পজিটিভ ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯১৯ জন। করোনা অ্যাকটিভ কেস অর্থাৎ শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন এক লক্ষেরও বেশি। সংক্রমণে মোট মৃতের সংখ্যা ৬০৭৫ জন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: আট হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে সংখ্যাটা ন’হাজারের কোটায় ঢুকে পড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ফের রেকর্ড সংক্রমণ দেশে। একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন ৯৩০৪ জন। একদিনে সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২৬০ জনের।

    দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ পেরিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সকাল ৮টার বুলেটিনে দেখা গেছে, দেশে এখন মোট কোভিড পজিটিভ ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯১৯ জন। করোনা অ্যাকটিভ কেস অর্থাৎ শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন এক লক্ষেরও বেশি। সংক্রমণে মোট মৃতের সংখ্যা ৬০৭৫ জন।

    মহারাষ্ট্রে কোভিড আক্রান্ত ৭৪ হাজার ছাড়িয়েছে। বাণিজ্যনগরী মুম্বইতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৫৮৭ জনের। রাজধানীতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ছাড়িয়েছে। যদিও সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজারের বেশি। তামিলনাড়ু ও গুজরাটের অবস্থাও তথৈবচ। তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। গুজরাটে ১৮ হাজার ১০০।

    করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশের অনেক রাজ্যেই করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের সংখ্যা আশা জাগাচ্ছে। তাদের মধ্যে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল যেমন চণ্ডীগড়, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, রাজস্থান, অরুণাচলপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশে ৫০ শতাংশের বেশি কোভিড রোগী সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছে আইসিএমআরের রিপোর্ট।

    কেন্দ্রের হিসেব বলছে, দেশে এখন কোভিড সারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪ হাজার ১০৬ জন। একদিনে সেরে ওঠাদের সংখ্যাও নেহাত কম নয়, ৩৮০৩ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল আগেই বলেছেন, দেশে এখন সুস্থতার হার বেশি। কেন্দ্রের দাবি, কোভিড টেস্টে যতবেশি আক্রান্তদের আলাদা করা হচ্ছে ততটাই দ্রুত তাদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। হালকা বা মৃদু সংক্রমণ ধরা পড়লে বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে, সঙ্কটাপন্নদের আইসোলেশনে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা চলছে।

    আইসিএমআর আরও জানিয়েছে,  করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে কোভিড টেস্টের বৃহত্তর পরিকল্পনা হয়েছে। ৭০টিরও বেশি জেলায় ক্লাস্টার এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে র‍্যাপিড টেস্ট চলছে। দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে দিনে গড়ে ২ লক্ষের বেশি করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কোভিড টেস্টের কারণেই উপসর্গহীন করোনা রোগীদের আরও বেশি করে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। পরিসংখ্যাণ বলছে, ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কোভিড টেস্টিংয়ে যতজন পজিটিভ রোগীর খোঁজ মিলেছিল তাঁদের ৪০,১৮৪ জনের মধ্যে অন্তত ২৮ শতাংশই ছিল উপসর্গহীন। অর্থাৎ যাঁদের শরীরে করোনা পজিটিভ অথচ বাইরে সে রোগের কোনও লক্ষণ নেই। ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’-এর রিপোর্ট বলছে, এপ্রিল মাস অবধি যত সংক্রমণ ধরা পড়েছে তাদের মধ্যে ২৮.১ শতাংশ অ্যাসিম্পটোমেটিক বা উপসর্গহীন, ২৫.৩ শতাংশ হাই রিস্ক কেস এবং ২.৮ শতাংশ সংক্রমণ স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ধরা পড়েছিল যারা নানা সময় কোভিড রোগীদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তবে আশ্বাস দিয়ে আইসিএমআর বলেছে, চিন্তার কারণ নেই। কারণ কোভিড রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসায় তাদের সারিয়ে তোলা সম্ভব।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More