অসমে বন্যায় মৃত অন্তত ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত কমপক্ষে ১৩ লাখ, ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অসমের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। লাগাতার চারদিন ধরে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে পূর্ব ভারতের এই রাজ্যে। ইতিমধ্যেই ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৩ লাখ লোক। অসম এবং প্রতিবেশী রাজ্য অরুণাচলপ্রদেশের একাধিক জায়গায় বন্যার জন্য হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। আইএমডি জানিয়েছে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে এই দুই রাজ্যে।

    গুয়াহাটি, ডিব্রুগড়, ধুবড়ি, জোরহাট, সোনিতপুর এবং গোয়ালপাড়া জেলায় বিপদসীমার উপর সিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র নদ। অসমের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী বিভাগ জানিয়েছে ধীমাজি, লখিমপুর, বিশ্বনাথ, সোনিতপুর, চিরাং, বঙ্গাইগাঁও, উদালগুড়ি, দারাং, বাকসা, নলবাড়ি, বরপেটা, কোকড়াঝার, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, কামরূপ, মোরাইগাঁও, নওগাঁও, পশ্চিম কার্বি অ্যানাংলং, গোলাঘাট, জোরহাট, মাজুলি, শিবসাগর, ডিব্রুগড় এবং তিনসুকিয়ায় ভয়াবহ বন্যা হয়েছে।

    অসমের ২৪টি জেলার প্রায় ২০০০ গ্রাম জলের তলায় ছিল গিয়েছে। উচ্চ অসমের ধীমাজি এবং নিম্ন অসমের বরপেটায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। কাজিরাঙা ন্যাশনাল পার্কের প্রায় ৭০ শতাংশ ডুবে গিয়েছে। অসমের বনদফতর জানিয়েছে ৪১টি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে বন্যায়। উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ৪৯টি প্রাণী। অরুণাচলপ্রদেশের নিম্ন অঞ্চল পাসাইঘাট এবং নামসাই পুরোপুরি ডুবে গিয়েছে জলে তলায়।

    অসমের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী বিভাগ জানিয়েছে সোনাপুর এলাকায় ধস নেমেছে। এখানে ভূমিধসে মৃত্যুও হয়েছে কয়েকজনের। অসমে বর্ষার মরশুম শুরু হওয়ার পর থেকে বন্যা এবং ধসে এ যাবৎ মৃত্যু হয়েছে মোট ৭০ জনের।

    অসমের ১৬টি জেলায় মোট ২২৪টি ত্রাণ শিবির তৈরি হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ২১ হাজার মানুষ। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলাকারী (এনডিআরএফ) দলের সঙ্গে বন্যা বিপর্যস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছে অসমের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল। বন্যা এবং ধসে জেরে অধিকাংশ জায়গায় রাস্তাঘাট এবং নদীর পাড় ভেঙে গিয়েছে। মারা গিয়েছে অসংখ্য গবাদি পশুও। জলের তলায় ডুবে গিয়েছে একরের পর একর চাষের জমি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More