করোনা-যোদ্ধা ডাক্তারদের রাখা হবে তাজ হোটেলে, তালিকায় টাটা গোষ্ঠীর আরও দুই হোটেল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিচ্ছে মৃতের সংখ্যাও। জনসাধারণোকে সঠিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য এবং আক্রান্তদের সুস্থ করে তুলতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দেশের প্রতিটি কোণার চিকিৎসক-নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। এবার তাঁদের সাহায্যেই এগিয়ে এলেন বিজনেস টাইকুন রতন টাটা।

    ইতিমধ্যেই করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১৫০০ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছে টাটা গোষ্ঠী। এবার বৃহন্মুম্বইয় পুরসভা যেসব চিকিৎসক করোনা আক্রন্তদের চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হল টাটাদের বিখ্যাত তিনটি হোটেলে। কোলাবার তাজ হোটেল, বান্দ্রার তাজ ল্যান্ড এন্ড এবং কাফে প্যারেডের হোটেল প্রেসিডেন্ট—এই তিনটি হোটেলে কোভিড- ১৯-এর সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করা চিকিৎসকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    শুধু চিকিৎসক নন, বিএমসি-এর সমস্ত মেডিক্যাল স্টাফ যাঁরা করোনা ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাজ গ্রুপের এই তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে। এর আগে সব মিলিয়ে ভারতে কোভিড ১৯ মোকাবিলায় দেড় হাজার কোটি টাকা দিয়েছে টাটা গোষ্ঠী। ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে টাটা ট্রাস্ট। একইসঙ্গে টাটা সনস দিয়েছে আরও ১ হাজার কোটি টাকা।

    এর আগে করোনা-যোদ্ধা চিকিৎসক-নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পাঁচতারা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল দিল্লি এবং লখনউতে। দিল্লির দুটি বিখ্যাত হাসপাতাল লোক নায়ক হাসপাতাল এবং জিবি পন্থ হাসপাতাল। এই দুই হাসপাতালে যেসমস্ত চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্তদের দেখভালের ডিউটিতে রয়েছেন তাঁদের হোটেলে ললিতে থাকার ব্যবস্থা করেছে সরকার। এই পাঁচতারা হোটেলের সমস্ত খরচ দেবে দিল্লি সরকার। এই হোটেলে ১০০টি রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে চিকিৎসকদের জন্য। মূলত, সব চিকিৎসককেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শিডিউল মাফিক ডিউটি করতে হচ্ছে প্রায় ২৪ ঘণ্টাই। টানা ডিউটির মাঝে একটু ফাঁক পেলে যেন চিকিৎসকরাও একটু বিশ্রাম করে নিতে পারেন তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকারও চিকিৎসক-নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন লখনউয়ের চারটি পাঁচতারা হোটেলে। হায়াত রিজেন্সি, লেমন ট্রি, দ্য পিক্কাডেলি এবং ম্যারিয়টের ফায়ারফিল্ড—-এই চারটি পাঁচতারা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাঁদের। করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সংস্পর্শে থাকার কারণে এইসব মেডিক্যাল স্টাফদের জন্য এই চারটি হোটেলকে এখন কোয়ারেন্টানেই পরিণত করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More