মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭

‘মুকুট পরাচ্ছো কেন, গলা কেটে দেব,’ মেজাজ হারিয়ে দলের কর্মীকে ধমক হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়ে না। দিন কয়েক আগেই কাশ্মীরি মেয়েদের নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এ বার কাস্তে তুলে দলের কর্মীকে পেল্লায় ধমক দিলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। শুধু ধমক নয়, রীতিমতো গলা কেটে নেওয়ার হুমকি দিলেন। তাও আবার শয়ে শয়ে লোকের সামনে। দলের প্রচার মিছিলে।

আসন্ন হরিয়ানার বিধানসভার নির্বাচন ঘিরে জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে বিজেপির অন্দরে। জন আশীর্বাদ যাত্রার কর্মসূচী নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যের নানা প্রান্তে মিটিং-মিছিল করছেন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। বুধবার এমনই একটি প্রচার মিছিলে আচমকাই মেজাজ হারাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। এই ঘটনার ভিডিও নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে হরিয়ানা কংগ্রেস।

এই ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়িতে চেপে ভাষণ দিতে দিতে যাচ্ছেন খট্টর। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দলেরই এক কর্মী তাঁর হাতে কাস্তে তুলে দিলেন। অন্য পাশের একজন কায়দা করে তাঁর মাথায় রূপোর মুকুট পরাতে গিয়েছিলেন। তখনই ক্ষেপে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। কাস্তে তুলে চেঁচিয়ে ওঠেন “কে বলেছে মুকুট পরাতে। গলা কেটে ফেলবো।”

হরিয়ানা মুখ্যমন্ত্রীর এ হেন আচরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে নানা মহলে। বিরোধীদের দাবি, যে মুখ্যমন্ত্রী জনসমক্ষে সংযম ধরে রাখতে পারেন না, তিনি রাজ্য চালাবেন কী করে। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালার দাবি, “দলের কর্মীদের সঙ্গেই যদি এমন ব্যবহার হয়, তবে আমজনতার সঙ্গে উনি কেমন আচরণ করবেন বোঝাই যাচ্ছে।”

বিরোধীদের দাবি-অভিযোগ অবশ্য বিশেষ গায়ে মাখেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সাফ জবাব, “দলেরই যে কেউ যদি আমাকে রূপোর মুকুট পরাতে যায় তাহলে আমি রাগ দেখাবই। ক্ষমতায় আসার পরে এই সব রীতি বন্ধ করতে চাই।” এরই সঙ্গে তাঁর দাবি, “যাকে বকেছি, সে আমার দলের অনেক পুরনো কর্মী। আমার কথায় রাগ করে না।”

Comments are closed.