রবিবার, আগস্ট ২৫

ফের আয়করের নজরে কমল নাথের ভাইপো, বাজেয়াপ্ত বেঙ্গালুরুর ৩০০ কোটির বাংলো ও ২৮৪ কোটির ‘বেনামি সম্পত্তি’

  • 4
  •  
  •  
    4
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের আয়কর দফতরের নজরে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ভাইপো রাতুল পুরী। শিল্পপতি রাতুলের ২৫৪ কোটি টাকার বেনামি শেয়ার আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিল আয়কর দফতর। এ বার বাজেযাপ্ত করা হল বেঙ্গালুরুতে শিল্পপতির বিলাসবহুল বাংলো। আয়কর দফতর জানিয়েছে, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা দামের ওই বাংলোর সঙ্গেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ২৮৪ কোটির সম্পত্তি।  যদিও আয়কর দফতরের অভিযোগ, ওই বাংলো এবং সম্পত্তির সবটাই ‘বেনামি’।

আয়কর সূত্রে জানানো হচ্ছে, অগুস্তাওয়েস্টল্যান্ড ভিভিআইপি চপার দুর্নীতির সূত্রে রাতুল ওই শেয়ার পেয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই বিপুল সম্পত্তিও সেই ভাবেই করা হয়েছে। বেনামি সম্পত্তি রোধ আইনের ২৪(৩) ধারায় কোটি কোটি টাকা মূল্যের ওই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে আয়কর দফতর। ১৯৮৮ সালেতৈরি হলেও বেনামি সম্পত্তি রোধ আইনের প্রয়োগ শুরু হয়েছে ২০১৬ সালে মোদী সরকার আসার পর। আয়কর দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, এপিজে আবদুল কালাম রোডের ওই বাংলো ও আনুসঙ্গিক সম্পত্তি একটি বিদেশি বিনিয়োগ সংস্থার থেকে কেনা হয়েছে। বেনামে ওই সম্পত্তির লেনদেন হয়েছে।

হিন্দুস্তান পাওয়ার প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান রাতুল পুরী ৩,৬০০ কোটি টাকার অগুস্তাওয়েস্টল্যান্ড ভিভিআইপি চপার দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। অভিযোগ উঠেছিল, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ভাইপো হওয়াতেই ফাঁসানো হচ্ছে রাতুলকে। দিল্লির আদালতে সেই অভিযোগ উড়িয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) জানায়, অগুস্তাওয়েস্টল্যান্ড ভিভিআইপি চপার কাণ্ড ও কালো টাকার লেনদেন নিয়ে তদন্ত চলছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে রাতুলের বিরুদ্ধে।

অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড ভিভিআইপি চপার কেনাবেচায় বেআইনি টাকা লেনদেনের তদন্তে গতমাসেই তাঁকে জেরার জন্য ডেকেছিল ইডি। জেরার মাঝেই বিরতিতে বাথরুমে যাওয়ার নাম করে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করেছে, সব ফাঁস হয়ে যাবে বুঝেই পালিয়েছিলেন রাতুল। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না।

ইডির তরফে জানানো হয়েছে, রাতুল পুরী কালো টাকার লেনদেনে অভিযুক্ত। বেঙ্গালুরুতে বেনামে ৩০০ কোটির বাংলো ছাড়াও তাঁর রয়েছে প্রায় ২৮৪ কোটির সম্পত্তি। সেই টাকা ঢালা হয়েছে কোবোল টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থায়। এমনকি তাঁর সংস্থা হিন্দুস্তান পাওয়ার প্রজেক্টসের বিরুদ্ধেও ১৩০০ কোটি টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

Comments are closed.