মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩

সোমবারেও ছুটি কিন্তু, রাজ্য সরকারের সব অফিস বন্ধ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরস্বতী পুজোর দধিকর্মাতেও এ বার ছুটি দিল রাজ্য সরকার।

চলতি বছরে সরস্বতী পুজোর তিথি পড়েছে দু’দিন ধরে। পঞ্জিকা মতে পুজো চলবে শনি ও রবিবার, দু’দিন ধরেই। আর ছুটির দিনে পুজো হওয়ায় সরকারি কর্মীদের আরও একদিন অতিরিক্ত ছুটি দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই অনুযায়ী সোমবার দধিকর্মাতেও ছুটি পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বছরের শুরুতেই রাজ্য সরকারের ক্যালেন্ডারেও সরস্বতী পুজোর পরের দিন, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখটি লাল কালি দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে ছুটির দিন হিসেবে।

তবে পুজো-পার্বণ উপলক্ষে রাজ্যের ছুটির হিড়িক নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ সালেও ছট পুজোর সময় জোড়া ছুটি পেয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। ছট পুজোর কারণে ১৩ নভেম্বর মঙ্গলবার রাজ্য সরকারি দফতর এমনিতেই ছুটি ছিল। আর যাঁরা ছট পুজো করেন তাঁরা পরের দিন ১৪ নভেম্বর বুধবারও ছুটি পেয়েছিলেন। তিথি অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত চলেছিল ছট পুজোর আচার অনুষ্ঠান। তাই যে সমস্ত কর্মীরা ব্রত পালন করবেন তাঁদের অফিসে আসতে সমস্যা হতে পারে। আর কর্মীদের এ হেন অসুবিধার কথা মনে করেই ছট পুজোয় দু’দিনের এই ছুটি ঘোষণা করেছিল কল্পতরু রাজ্য সরকার।

এখানেই শেষ নয়। গত বছর দুর্গাপুজোর সময়েও টানা ষোলো দিন ছুটি পেয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। ১৫ থেকে ২৫ অক্টোবর পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৷ অর্থাৎ মূল ছুটি ১১ দিন। কিন্তু ১৩ ও ১৪ অক্টোবর ছিল শনি ও রবিবার ৷ আবার ২৭ ও ২৮ অক্টোবরও শনি এবং রবিবার ৷ অর্থাৎ আরও ৪ দিন ছুটি বেড়েছিল। শুধুমাত্র ২৬ অক্টোবর সরকারি দফতর খোলা ছিল ৷ কিন্তু কেউ যদি ১৩ তারিখে অফিসে কাজ করেন তাহলে ২৬ তারিখ একটি ক্যাসুয়াল লিভ নিতেই পারতেন তিনি ৷ অতএব হরেদরে টানা ১৬ দিনই ছুটি পেয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা ৷

এমনিতেই ছুটির ব্যাপারে দরাজহস্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। জামাই ষষ্ঠীর মতো বাঙালি পার্বণের দিনে ছুটি চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বার সরস্বতী পুজোয় দু’দিন ছুটি পেয়েও বেজায় খুশি হয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা।  তবে অন্যদিকে আর এক শ্রেণির কর্মচারীদের কথায়, “ডিএ, বেতন না বাড়িয়ে, কেবল ছুটি বাড়িয়েই সরকারি কর্মচারীদের মন রাখতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক যেন সান্ত্বনা পুরস্কার।”

Shares

Comments are closed.