শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

কী কাণ্ড! নেভিগেশন চার্ট নিতেই ভুলে গেল গো-এয়ারের বিমান? টনক নড়ল মাঝ আকাশে, তারপর…

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিমান যাবে কোন পথ দিয়ে? রুট ম্যাপ কোথায়? তাড়াহুড়োতে নেভিগেশন চার্ট নিতেই কি না ভুলে গেলেন পাইলট ও বিমানকর্মীরা! তাও আবার টনক নড়ল ঘণ্টা দুই পরে। বিমান তখন মাঝ আকাশে।

১৪৬ জন যাত্রী নিয়ে দিল্লি থেকে ব্যাঙ্কক রওনা দিয়েছিল গো এয়ারের জি৮-০৩৭। ঘণ্টা দুই ওড়ার পরে পাইলটের মনে পড়ে, নেভিগেশন চার্টই তো নেই বিমানে। সঙ্গে সঙ্গে ফোন যায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে। যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তড়িঘড়ি বিমানের মুখ ঘুরিয়ে ফের দিল্লি ফিরে আসে গো-এয়ারের বিমান।

অ্যারোনটিক্যাল চার্ট বা নেভিগেশন চার্ট বিমানের যাত্রাপথের সঠিক বর্ণনা দেয়। মূলত বিমানের রোড-ম্যাপ। কোন পথে দিয়ে বিমান উড়ে গন্তব্যে পৌঁছবে, কোন পথে তাড়াতাড়ি হবে, কোন পথে উড়লে বিপদের সম্ভাবনা আছে সবকিছুই স্পষ্ট করা থাকে ওই রুট-ম্যাপে। জরুরি অবস্থায় বিমান অবতরণের সঠিক জায়গার খোঁজও বলা থাকে ওই চার্টে। সেই চার্ট নিতেই কি না ভুলে গেলেন বিমান কর্মীরা? পাইলটের কথায়, “ব্যাঙ্ককগামী গো-এয়ারের প্রথম বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ায় এই দ্বিতীয় বিমানটিতে যাত্রীদের তোলা হয়েছিল। এমনিতেই উড়ানে বিলম্ব হয়েছিল। তাই তাড়াতাড়িতে নেভিগেশন চার্ট নেওয়ার কথা মনে ছিল না কারোর। নিরাপত্তার কথা ভেবে আমি বিমান ফিরিয়ে আনি।”

এই ঘটনায় যথেষ্ট লজ্জিত গো -এয়ার কর্তৃপক্ষও। বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, “যাত্রী সুরক্ষা ও নিরাপত্তা গো-এয়ারের বিমানের প্রাথমিক লক্ষ্য। পাইলট ও বিমানকর্মীরা যখন বুঝতে পারেন টেক-অফের আগে নেভিগেশন চার্ট নেওয়া হয়নি, তখনই দ্রুততার সঙ্গে বিমান ফিরিয়ে আনা হয়। রুট-ম্যাপ ছাড়া বিমান চালালে বিপদের সম্ভাবনা থেকে যায়। তবে যাত্রীদের এই দুর্ভোগের জন্য আমরা দুঃখিত।”

Comments are closed.