মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২১
TheWall
TheWall

কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে রাতভর পুত্রবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের পুত্রবধূকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল বিজেপির এক প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার দাবি, কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে রাতভর তাঁর উপর পৈশাচিক নির্যাতন চালান তাঁরই শ্বশুর। শুধু তাই নয়, মুখ খুললে তাঁকে ও তাঁর ভাইকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি বিধানসভার দু’টি আসন থেকে পর পর দু’বার জয়ী বিজেপি নেতা মনোজ শোকিনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন তাঁর পুত্রবধূ।  ঘটনা গত বছর ৩১ ডিসেম্বরের।  নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মনোজের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এবং ৫০৬ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করেছে দিল্লি পুলিশ।

নির্যাতিতার কথায়, এতদিন ভয় আর আতঙ্কে মুখ বন্ধ করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার পরেও শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর নির্যাতন মাত্রা ছাড়ায়। গত বৃহস্পতিবার মনোজ ও শ্বশুরবাড়ির কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। নির্যাতিতার অভিযোগ, বর্ষবরণের রাতে তিনি, তাঁর স্বামী, ভাই ও এক বোনের সঙ্গে মীরা বাগে তাঁর বাপের বাড়ি যাচ্ছিলেন। মাঝ পথেই তাঁর স্বামী গাড়ি ঘুরিয়ে পশ্চিম বিহার এলাকার একটি বিলাসবহুল হোটেলে তাঁদের নিয়ে যান।

নির্যাতিতার কথায়, “হোটেলে পৌঁছে দেখি আমার শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন আগে থেকেই সেখানে পার্টি করছেন। অনেক রাত অবধি হুল্লোড় চলে। রাত ১ টা নাগাদ স্বামী আমাকে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছে দিয়ে আবার বেরিয়ে যান।” রাত দেড়টা নাগাদ দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করেন মনোজ। শ্বশুরের গলার আওয়াজ পেয়ে দরজা খুলে দিতেই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। তরুণীর দাবি, তাঁর শ্বশুর মনোজ মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। প্রথমে তাঁর শরীরের নানা জায়গায় হাত দেওয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দিলে, মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এর পর রাতভর চলে অত্যাচার।

অভিযোগকারিনী জানিয়েছেন, এর আগেও শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর নানা ভাবে অত্যাচার করা হয়েছিল। চলতি বছর ৭ জুলাই গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ জানিয়েছিলেন নারী নির্যাতন বিরোধী সেলে (CAW)। সেখানেও প্রভাব খাটিয়ে তাঁর বাবা ও ভাইকে হেনস্থা করিয়েছিলেন মনোজ।

দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (আউটার) সেজু পি কুরুভিল্লা জানিয়েছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share.

Comments are closed.