চিনের প্রেসিডেন্টকে কী কী খাওয়ালেন মোদী, মেনুর থিম দক্ষিণী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথমে মহাবলীপুরমে পুরনো সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়া।  তারপরে আলোকিত মন্দিরের সামনে বসে কথাকলি-ভারতনাট্যম।  আর রাতে খাবার পাতে… বলছি সে কথা।

    ভারতীয় স্থাপত্য মানেই যে আগ্রার তাজমহল নয়, সে কথা চিনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিংকে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে।  সমুদ্রতটে নোনা হাওয়ায় ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন মহাবলীপুরমের মন্দির।  তারপরে মুণ্ডু পরে পাশে বসিয়ে দেখিয়েছেন ভারতনাট্যম আর কথাকলি।  আর রাতে নুডল-স্যুপের বদলে জিনপিংয়ের জন্য বরাদ্দ করেছেন তামিলনাড়ুর খানা।  যার মধ্যে ছিল থাক্কালি রসম, আরাচাভিট্টা সম্বর, কড়ালাই কুরুমা এইসব।

    <blockquote class=”twitter-tweet” data-lang=”en”><p lang=”en” dir=”ltr”>India says Swagatam to President Xi Jinping! <a href=”https://t.co/DhkA14nYow”>pic.twitter.com/DhkA14nYow</a></p>&mdash; PMO India (@PMOIndia) <a href=”https://twitter.com/PMOIndia/status/1182651673526919168?ref_src=twsrc%5Etfw”>October 11, 2019</a></blockquote>

    <script async src=”https://platform.twitter.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>

    রসম আর সম্বর টক, কড়ালাই কুরুমার সরল বঙ্গীকরণ হতে পারে কড়াই কোর্মা।  আর এই সব অম্লরস কাটাতে শেষ পাতে কবনরসি হালুয়া।

    থাক্কালি রসম, প্রতীকি ছবি

    ভাববেন না স্রেফ এই টুকুই দেওয়া হয়েছে চিনা রাষ্ট্রপ্রধান জিনপিংকে।  তাঁদের খাবারের তালিকায় থাকে খান পঞ্চাশেক আইটেম।  কিন্তু সেই মেনুতে চিনা খাবার আছে কিনা তা বলা মুশকিল।

    শোনা যায়, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদী যেখানেই যেতেন সেখানেই নিয়ে যেতেন নিজের খাস পাচককে।  হিন্দিতে কথা বলবেন বলে সঙ্গে রাখতেন দোভাষী।  এখন দোভাষী দেখা যায় না, একশোর উপরে দেশ ঘোরার পর হয়তো মোদী নিজেও গ্লোবাল হয়ে গেছেন।  কিন্তু জিনপিংকে তিনি এমন খাবার দিলেন কেন? হতে পারে, হিউয়েন সাং যে খাবার এখানে খেয়েছিলেন, ইতিহাস বলার সঙ্গে সঙ্গে সেই স্বাদটাও জিনপিংকে দিতে চেয়েছেন মোদী।

    আরাচাভিট্টা সম্বর, প্রতীকি ছবি

    তাই তালিকায় রাখা হয়েছে চেট্টিনাড় করাইকুড়ি – নানা স্বাদের খাবার।  চেট্টিনাড় ও করাইকুড়ি হল তামিলনাড়ুর দুটো জায়গা, তাদের খাবার বানানোর নিজস্ব পদ্ধতি আছে।  যেমন ইউরোপের খাবার মানে ইতালিয়ান ডিশ, বিলেতের ডিশ তেমনই চেট্টিনাড়, করাইকুড়ি হল আলাদা গোত্রের স্বাদের খাবার।  চেট্টিনাড়ের খাবার তৈরিতে প্রাধান্য পায় নারকেল তেল।  তৈরির ক্ষেত্রেও মেনে চলা হয় চিরাচরিত পদ্ধতি।

    চেট্টিনাড় থাআলি, প্রতীকি ছবি

    একটা কথা না বললেই নয়, বাসমতী নয় এমন চালের বাণিজ্য নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে, আলোচনা হতে পারে সয়াবিন–জাতীয় খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য নিয়েও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More