শুক্রবার, এপ্রিল ১৯

একে অন্যের ঠোঁট ছুঁয়ে দিওয়ালির সেলিব্রেশন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোবাসা ছড়ালেন শাহিদ-মীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময়টা ২০১৫ সালের ৭ জুলাই। আচমকাই জানা গিয়েছিল, বিয়ে করছেন শাহিদ কাপুর। চকলেট বয় ইমেজের শাহিদ কাপুরের বিয়ের ফলে হৃদয় ভেঙেছিল বহু মেয়ের। তখন শাহিদের কেরিয়ারের গ্রাফ সবে উঠতে শুরু করেছে। এমন সময়ে প্রায় ১৩ বছরের ছোট মীরা রাজপুতের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শাহিদ। চমকে গিয়েছিল বলিউড। বিনোদন জগতের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকা এমন একজনকে কেন জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন শাহিদ তা বুঝতে পারেননি অনেকেই। নিন্দুকেরা বলেছিলেন করিনার সঙ্গে সম্পর্কে আঘাত পাওয়ার ফলেই বোধহয় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শাহিদ।

View this post on Instagram

You are my sunshine, my only sunshine ☀️ #oursong

A post shared by Mira Rajput Kapoor (@mira.kapoor) on

তবে সবার বাঁকা কথাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বর্তমানে সুখী দম্পতি শাহিদ-মীরা। সেপ্টেম্বরেই পরিবারের এসেছে নতুন সদস্য জিশান। মেয়ে মিশা আর ছেলে জিশানকে নিয়ে এ বার খানিকটা অন্যভাবেই দিওয়ালি সেলিব্রেট করলেন শাহিদ-মীরা।  একে অন্যের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় উষ্ণতা ছড়ালেন কাপুর দম্পতি। দু’জনেই সেজেছিলেন ভারতীয় পোশাকে। মা-বাবার সঙ্গে পাল্লা দিয়েছে ছোট্ট মিশাও। তাকেও দেখা গিয়েছে একদম ‘এথনিক’ পোশাকে। তবে শাহিদ-মীরার দ্বিতীয় সন্তান জিশানকে অবশ্য ইনস্টাগ্রামের কোনও ফ্রেমেই দেখা যায়নি। শাহিদের ভাই ঈশান খট্টরের সঙ্গেও হাসিমুখে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছেন মীরা।

View this post on Instagram

Only love ?Happy Diwali!

A post shared by Mira Rajput Kapoor (@mira.kapoor) on

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

তবে মিশা কিংবা ঈশান-মীরার ছবি দেখে আনন্দ পেলেও শাহিদ-মীরার অন্তরঙ্গ মুহূর্ত দেখে চটেছে নেটিজেনদের একাংশ। তাঁদের মতে একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন কাপুর জুটি। নিজেদের একান্ত মুহূর্তের ছবি এ ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ঠিক হয়নি শাহিদ-মীরার। এমন মন্তব্যও করেছেন অনেকেই। তবে সে সব কথায় বিশেষ কান দেননি মীরা এবং শাহিদ। বরং চোখ বন্ধ করে চুমুর আমেজেই মজেছেন তাঁরা। উদ্দেশ্য একটাই, এই দিওয়ালিতে সবার মধ্যে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়া।

View this post on Instagram

Nice to you today ?

A post shared by Mira Rajput Kapoor (@mira.kapoor) on

Shares

Comments are closed.