বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯

টাকাপয়সা-খ্যাতির তুলনায় আত্মসম্মান গুরুত্বপূর্ণ, ফার্স্ট লুক রিলিজের পরেই প্রোজেক্ট ছাড়লেন অক্ষয়ের ‘লক্ষ্মী বম্ব’-এর পরিচালক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অক্ষয় কুমারের ছবি মানেই সিলভার স্ক্রিনে নতুন কিছু দেখতে পাবেন দর্শকরা। আর সেই রকমই একটি প্রয়াস ‘লক্ষ্মী বম্ব’। দক্ষিণী ছবি ‘কাঞ্চনা’-র রিমেক এই সিনেমায় আক্কি অভিনয় করেছেন একজন ট্রান্সজেন্ডারের চরিত্রে। যার উপর আবার ভর করে নানান ভৌতিক শক্তি। রয়েছে কিয়ারা আডবাণীও।  ইতিমধ্যেই রিলিজ হয়েছে ছবির ফার্স্ট লুক। একদম অন্যরূপে অক্ষয়কে দেখে তাঁর চরিত্র নিয়ে ফ্যানরা ভাবনাচিন্তাও শুরু করে দিয়েছেন।

কিন্তু এই সবের মধ্যেই এল এক অদ্ভুত খবর। ছবির সমস্ত প্রোমশন এবং বাকি সব কিছু থেকেই নাকি নিজেকে সরিয়ে নিতে চলেছেন ‘লক্ষ্মী বম্ব’-এর পরিচালক রাঘব লরেন্স। তাঁর কথায়, প্রায় এক মাস ধরে এই প্রোজেক্টের শ্যুটিং করার পর, শনিবার তাঁকে না জানিয়েই নাকি রিলিজ হয়েছে সিনেমার ফার্স্ট লুক। আর তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লরেন্স। টুইটারে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে নিজের খারাপ লাগার অনুভূতিও জানিয়েছেন পরিচালক।

তিনি লিখেছেন, “তামিল ভাষায় একটি প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে যে বাড়িতে সম্মান নেই সেখানে পা রাখবেন না। এই জগতে টাকাপয়সা এবং খ্যাতির তুলনায় আত্মসম্মান একজন মানুষের চরিত্রের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কাঞ্চনার হিন্দি রিমেক লক্ষ্মী বম্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি।” নিজের টুইটারে লরেন্স আরও লিখেছেন, “সিনেমার পোস্টার মুক্তি পেল অথচ পরিচালক জানলেন না, এটা কতটা বেদনাদায়ক ভাবতে পারেন? আমার ভীষণ সম্মানে লেগেছে। খুব হতাশও আমি।”

কিন্তু হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন পরিচালক? আর ছবির ভবিষ্যতই বা কী? লরেন্সের কথায়, “একজন শিল্পী হিসেবে পোস্টারের ডিজাইনের সঙ্গে আমি একেবারেই সহমত নই। কোনও পরিচালকের সাথে এমনটা হওয়া উচিত না। ইচ্ছে হলে আমি স্ক্রিপ্ট কাউকে না দিতেই পারতাম। কারণ এখনও আমি সিনেমা সংক্রান্ত কোনও চুক্তিতে সই করিনি। কিন্তু আমি তেমনটা করবো না। কারণ ব্যক্তিগতভাবে অক্ষয় কুমারকে আমি অসম্ভব শ্রদ্ধা করি।” এরপরেই রাখব লিখেছেন, “ওরা (প্রোডাকশন হাউস) আমার বদলে নিশ্চয় ভালো কাউকেই নিয়ে আসবে। ছবিটা আগামী দিনে দারুণ ভাবে সফল হোক সেটাই চাই। খুব জলদিই অক্ষয় স্যারের সঙ্গে দেখা করে স্ক্রিপ্টটা দিয়ে আসবো। এবং সম্মানের সঙ্গে এই প্রোজেক্ট থেকে বেরিয়ে যাবো।”

Comments are closed.