রবিবার, এপ্রিল ২১

‘জওয়ানি জানেমন’-এর ছন্দে ৭৭-এও ‘জোয়ান’ জিতেন্দ্র

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিসেব বলছে তাঁর বয়স সত্তর পেরিয়েছে। তবে তাঁর ড্যান্স মুভস দেখে সে কথা মেনে নেওয়া মুশকিল। এই বয়সেও দিব্যি টুইস্টের তালে কোমর দোলাতে পারেন তিনি। আশির দশকের বিখ্যাত সব গানে জমিয়ে নাচতেও পারেন এখনও। তিনি জিতেন্দ্র কাপুর।

শনিবারই ৭৭-এ পা দিয়েছেন বলিউডের এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষ্যেই স্পেশ্যাল বার্থ ডে পার্টির আয়োজন করেছিলেন মেয়ে একতা কাপুর এবং তাঁর টেলি দুনিয়ার বান্ধবীরা। আর সেখানেই ‘জওয়ানি জানেমন’-এর ছন্দে নাচ করে পার্টি জমিয়ে দিলেন বার্থ ডে বয়। পার্টনার ছিলেন স্ত্রী শোভা কাপুর। দু’জনেই নাচের ছন্দে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন বয়সটা কেবলই একটা সংখ্যা। তাঁদের ‘জওয়ানি’ এখনও ভরপুর।

স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে রোম্যান্টিক পোজে এ দিন বার্থ ডে পার্টিতে নাচতে দেখা গিয়েছে জিতেন্দ্রকে। মা-বাবার রোম্যান্টিক মুহূর্তের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন একতা। সাতাত্তরেও জিতেন্দ্রর নাচে মজেছেন নেটিজেনরা। তবে কেবল ‘জওয়ানি জানেমন’ নয় বলিউডের আরও একটি বিখ্যাত গানের তালে বডি মুভস দেখিয়েছেন জিতেন্দ্র এবং শোভা। সঙ্গে ছিলেন টেলি দুনিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মোনা সিং-ও। ‘সামনে ইয়ে কৌন আয়া’-র ছন্দেও এ দিনের সন্ধ্যা জমিয়ে দেন কাপুর দম্পতি।

জিতেন্দ্রর নাচ নিয়ে অবশ্য নতুন করে কিছু বলার নেই। ‘হিম্মতওয়ালা’ থেকে শুরু করে ‘মাওয়ালি’ সব ছবিতেই দর্শকদের নজর কেড়েছিল জিতেন্দ্রর ড্যান্স স্টেপ। সেই সঙ্গী এই অভিনেতা বরাবরই ফিটনেস সম্পর্কে মারাত্মক সচেতন। শোনা যায়, নিয়মিত একসারসাইজের পাশাপাশি বয়সের সঙ্গে মানানসই ডায়েট চার্টও মেনে চলেন তিনি। এমনকী ছেলে তুষার কাপুরের থেকেও মাঝে মধ্যেই ফিটনেস টিপস নেন জিতেন্দ্র। বাবা-ছেলে একসঙ্গে জিম সেশনেও যান। আর তিনি যে ডায়েটে একেবারেই ফাঁকি দেন না, সেটা তো ৭৭ বছরেও তাঁর ঝকঝকে টানটান চেহারা দেখেই বোঝা যায়।

আশির দশকের অন্যতম বিখ্যাত ছবি ছিল ‘নমক হালাল’। অমিতাভ বচ্চন, শশী কাপুর, পরভিন ববি, স্মিতা পাটিল ছাড়াও এই সিনেমায় ছিলেন আরও অনেক তাবড় অভিনেতা। মাল্টিস্টারার এই ছবির গানও ছিল ব্যাপক জনপ্রিয়। সঙ্গীত পরিচালক বাপি লাহিড়ীর তখন কেরিয়ারের গ্রাফ তুঙ্গে। আশা ভোঁসলকে দিয়ে তিনি তখন গাইছিলেন ‘জওয়ানি জানেমন’। পারফেক্ট রিদমের সঙ্গে রেট্রো টাচের এই গান আজও সমানভাবে জনপ্রিয়।

বাবার জন্মদিনের পার্টিতে তাই এই গানকেই বেছে নিয়েছিলেন একতা। হয়তো অনুমান ছিলই যে এই গান শুনে একবার না একবার কোমর দোলাবেনই জিতেন্দ্র। আর বাবার সঙ্গে অবশ্যই নাচের সঙ্গী হবেন তাঁর মা। অতএব যেমন ভাবা তেমন কাজ। বাবার ৭৭তম জন্মদিনের পার্টিতে তাই আশির দশকের জনপ্রিয় গানগুলোকেই রেখেছিলেন একতা। ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বেজে উঠতেই গান ধরলেন পার্টিতে আসা শিল্পীরা। ব্যাস আর কী! মিঞা-বিবির নাচে জমে গেল জমকালো পার্টি।

Shares

Comments are closed.