সিক্সপ্যাক ‘রিকশাওয়ালা’, পছন্দের মুখ খুঁজে পেলেন রামকমল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডে তিনি সফল পরিচালক। কিন্তু জন্মসূত্রে যেহেতু তিনি কলকাতার তাই বাংলা ছবি চিরকালই তাঁকে টানে। খোদ উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিটে কেটেছিল ছোটবেলা। তাই প্রথম বাংলা ছবির জন্যেও উত্তর কলকাতার হাতে টানা রিকশাওয়ালাদের কথায় মাথায় এসেছিল পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায়ের। ওঁদের প্রতিদিনের গল্পই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন সিলভার স্ক্রিনে। ছবির নামও ঠিক করে ফেলেছিলেন। ‘রিকশাওয়ালা’। রামকমলের কথায়, “রিকশাওয়ালাদের জীবনের নানা দিক দেখে বড় হয়েছি। খুব কালারফুল ব্যাপারটা। হাতে টানা রিকশার তো এখন তেমন চল নেই। কলকাতাতেও হাতে গোনা কয়েকটা জায়গাতেই দেখা যায়। তাই এই হাতে টানা রিকশা এবং এক রিকশাওয়ালার গল্প নিয়েই বানাচ্ছি আমার প্রথম বাংলা ছবি।”

অবিনাশ দ্বিবেদী

কিন্তু ছবির চরিত্রদের কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। প্রায় মাস দুই ধরে গোটা কলকাতা চষে ফেলেছেন রামকমল। অবশেষে পরিশ্রমের ফল মিলেছে। খুঁজে পেয়েছেন পছন্দের মুখ। ফাইনাল হয়েছে রামকমল মুখোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা ছবি ‘রিকশাওয়ালা’-র কাস্টিং। ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন ভোজপুরি অভিনেতা অবিনাশ দ্বিবেদী। দুই মহিলা চরিত্রে রয়েছেন কস্তুরি চক্রবর্তী এবং সঙ্গীতা সিন্‌হাও। ছবির স্ক্রিন প্লে লিখেছেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাতনি গার্গী মুখোপাধ্যায় এবং সৈকত দাশ। ‘কেকওয়াক’ এবং ‘সিজনস গ্রিটিংস’-এর পর এ বার রামকমলের লক্ষ্য ‘টলিউড’।

সঙ্গীতা সিন্‌হা

চরিত্র খোঁজার সময়েই রামকমল জানিয়েছিলেন, তাঁর ছবির মুখ্য চরিত্রের জন্য খুব স্পষ্ট উচ্চারণের একজন ভালো অভিনেতার দরকার। তিনি বলেছিলেন, “চরিত্রটার জন্য স্পষ্ট উচ্চারণ এবং একটা টিপিকাল চেহারার অভিনেতার প্রয়োজন। লুকস মিলছে তো উচ্চারণে সমস্যা রয়ে যাচ্ছে। আবার স্পষ্ট উচ্চারণের অভিনেতার সঙ্গে চরিত্রের লুকসটাই খাপ খাচ্ছে না।” তবে অবশেষে নিজের পছন্দের অভিনেতাকে খুঁজে পেয়েছেন পরিচালক। বাংলা ছবিতে এটাই অবিনাশের ডেবিউ। দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনিও। রামকমল জানিয়েছেন, একটা পার্টিতে অবিনাশের সঙ্গে তাঁর আলাপ। নিজের ছবির মুখ্য চরিত্রের সঙ্গে দারুণ মিলও রয়েছে। আর অবিনাশ বলছেন, “বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত হতে পারছি। এটাই দারুণ ব্যাপার।”

কস্তুরী চক্রবতী

বাংলায় কাজ করার ইচ্ছে প্রথম থেকেই ছিল রামকমলের। তবে মনের মতো গল্প পাচ্ছিলেন না। শেষে নিজের শিকড়েই ফিরলেন তিনি। তাঁর কথায় “সিনেমার পর্দায় হাতে টানা রিকশা সেভাবে দেখানো হয়নি। তাই এটাই বেছে নিলাম নিজের প্রথম বাংলা ছবির জন্য। এর সঙ্গে আমার ছোটবেলারও যোগ রয়েছে। তাই আমি নিশ্চিত বাঙালি এবং আমার নিজের নস্ট্যালজিয়াকে দর্শকদের মনের মতো করে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে পারব।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More