রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫

পরীক্ষার নম্বর থেকে মাসের মাইনে, এমনকী ফুচকার দোকান, সবেতেই হাজির ‘কেশরী’ অক্ষয়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি ট্রেলর রিলিজ হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে মিম। ইয়টিউবে ভিউ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির ডায়লগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ট্রোলের ছড়াছড়িও দেখা যাচ্ছে। আর এই সবকিছুর সৌজন্যে অক্ষয় কুমারের আগামী ছবি ‘কেশরী’।

মাথায় বাঁধা গেরুয়া রংয়ের প্রকাণ্ড একটা পাগড়ি। সঙ্গে ঘন-কালো চাপদাড়ি। আর মুখের চোস্ত শিখ বুলিতে যেন আগুন ছুটছে। একদম নয়া অবতারেই নতুন ছবিতে দেখা গিয়েছে অক্ষয়কে। তবে ট্রেলর রিলিজের পরেই যে তাঁর ছবির ডায়লগ নিয়ে বানানো হবে অসংখ্য মিম তা বোধহয় ভাবেননি স্বয়ং অক্ষয়ও।

ট্রেলর রিলিজের পরেই বিখ্যাত হয়েছে সিনেমার সংলাপ ‘চল ঝুটা’। ট্রেলরে একটি দৃশ্যে দেখানো হয়েছে এক আফগান সেনা এসে অক্ষয় ওরফে ইশার সিং-কে বলবে যুদ্ধ শেষে শিখ সেনাবাহিনী এবং তাদের পাগড়ি আফগান সেনাদের পায়ের নীচে থাকবে। এরপরেই ক্যামেরা ফোকাস হবে অক্ষয়ের উপর। চোখের গভীর চাউনির মাঝেই হঠাৎ মুচকি হেসে অক্ষয় বলে উঠবেন ‘চল ঝুটা’। গোদা বাংলায় যার মানে ‘মিথ্যে বলিস না বা গুল মারিস না’। 

এই ডায়লগ নিয়েই নেটিজেনরা বানিয়েছেন নানান মিম। সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজ ফিডে ছড়িয়ে পড়েছে নানা মজার গল্প। কেউ বলছেন, ফোনের ইন্টারনেট শেষ হয়ে গেলে বন্ধুকে হটস্পট শেয়ার করতে বললেই শুনতে হয় ‘চল ঝুটা’। কেউ বা বলছেন, জোর দিয়ে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার কথা বললেও বাড়ির লোক কিংবা শিক্ষকদের থেকে শুনতে হয় এই একই কথা। এমনকী এই ডায়লগে জায়গা করে নিয়েছে ফুচকাও। রাস্তাঘাটে অনেক সময়ই দেখা যায়, ফুচকার দোকানে গিয়ে কোনও মহিলা বলছেন, তিনি নাকি মাত্র একটাই ফুচকা খাবেন। এ কথা শুনে তাঁর বন্ধুরা তো বটেই স্বয়ং ফুচকাওয়ালাও বলে উঠতে পারেন ‘চল ঝুটা’। 

তবে ‘চল ঝুটা’ ছাড়াও ‘কেশরী’-র আরও একটি সংলাপ নিয়েও বানানো হয়েছে মিম। ছবির প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ১৮৯৭-এর যুদ্ধে ১০ হাজার পাঠান সেনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন মাত্র ২১ জন শিখ সৈন্য। ট্রেলরে অক্ষয় কুমারকেও বলতে শোনা গিয়েছে, “ওরা দশ হাজার, আর আমরা মাত্র ২১ জন।” এই ডায়লগ নিয়ে বানানো মিমের সঙ্গেই নেটিজেনরা জুড়ে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের রোজের জীবনের নানান সমস্যাকে। কেউ কেউ পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের সঙ্গে এই ডায়লগের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁদের কথায়, “পরীক্ষায় যত নম্বর দরকার, আর যত নম্বর আমরা পাই এটা ঠিক তার মতোই।” কেউবা বলেছেন, “মাসের খরচের পরিমাণ আর হাতে থাকা টাকার, এটা ঠিক সেই পরিস্থিতি।”  

Comments are closed.