রিয়াকে সমন সিবিআইয়ের, কোনও চিঠি পাননি অভিনেত্রী, পাল্টা আইনজীবী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার পর থেকেই দেখা গিয়েছে তৎপরতা। একাধিক টিমে ভাগ হয়ে তদন্ত শুরু করেছেন তাঁরা। জেরাও শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রধান চরিত্র সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীকে সিবিআই সমন পাঠিয়েছে বলেই খবর। অথচ এই দাবির বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর আইনজীবী জানালেন রিয়া ও তাঁর পরিবারের কেউ সিবিআইয়ের কাছ থেকে কোনও সমন পাননি।

সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকালে সমন পাঠানো হয়েছে রিয়া চক্রবর্তীকে। তাঁকে সিবিআই আধিকারিকদের সামনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রিয়ার আইনজীবী সতীশ মানশিন্ডে জানিয়েছেন, তদন্তের অঙ্গ হিসেবে এখনও রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবার সিবিআইয়ের তরফে কোনও সমন পাননি। তাঁদেরকে ডাকা হলেই তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার সামনে হাজিরা দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অবশ্য ইতিমধ্যেই দু’বার আর একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছেন রিয়া। ম্যারাথন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তাঁকে। ইডি মূলত জেরা করছে, সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে রিয়ার অ্যাকাউন্টে কোনও টাকার লেনদেন হয়েছে কিনা। রিয়ার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন সুশান্তের বাবা কৃষ্ণ কুমার সিং। সেই তদন্তই করছে ইডি।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই শুক্রবার রাত থেকে মুম্বইয়ে রয়েছে সিবিআইয়ের একটি বিশেষ দল। সোমবার সকালে একটি দল অন্ধেরি পূর্বের ওয়াটারস্টোন হোটেলে যান। সেখানে কোনও বিষয়ে তদন্ত করেন আধিকারিকরা। তার আগে রবিবার সুশান্তের এক কর্মী সিদ্ধার্থ পাথানিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের যে গেস্ট হাউসে সিবিআই আধিকারিকরা রয়েছেন সেখানে পরপর তিনদিন হাজিরা দিতে দেখা গিয়েছে সুশান্তের আর এক কর্মী নীরজকেও।

সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে তাঁর কর্মী তথা ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পাথানিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সিবিআই। কারণ, সুশান্তের বান্দ্রার ফ্ল্যাটেই তিনি থাকতেন। মৃত্যুর দিনেও সেখানে তিনি ছিলেন। নিজেকে একজন অভিনেতা ও পরিচালক হিসেবেও উল্লেখ করেছেন সিদ্ধার্থ। এর আগে ইডি দফতরেও হাজিরা দিতে হয়েছিল তাঁকে। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি।

গত ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তারপর থেকেই তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রথমে মুম্বই পুলিশ এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে। কিন্তু সেই দাবি মানতে চায়নি সুশান্তের পরিবার। পটনার রাজেন্দ্রনগরে অভিযোগ দায়ের করেন সুশান্তের বাবা। তদন্ত শুরু করে বিহার পুলিশও। তারপর থেকেই এই তদন্ত ঘিরে বিহার ও মুম্বই পুলিশের মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়। সিবিআই তদন্তের দাবি করে সুশান্তের পরিবার ও বিহার সরকার। সেই দাবি মেনে সিবিআই তদন্তের অনুমতি দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সেই তদন্তই পুরোদমে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More