বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২
TheWall
TheWall

সুর উঠল ফিউশনে, ক্যানভাসে চলল তুলি, আলাপ হলো ছাদে

সোহিনী চক্রবর্তী

ছাদ আলাপ। এ নাম শুনলে প্রথম ঝটকায় নির্ভেজাল আড্ডা ছাড়া আর কিছু বোধহয় মনে আসে না। বেশ মৃদুমন্দ হাওয়া বইবে। আর গোল হয়ে বসে হবে আড্ডা। মনের কোণে জমে থাকা একরাশ কথা যেখানে নির্দ্বিধায় বলা যাবে।

ছাদ আলাপের কনসেপ্টটাও খানিকটা সেরকমই। একটা বাড়ির ছাদ। যেখানে জমা হবেন বেশ কিছু তরুণ-তরুণী। থাকবেন নামজাদা শিল্পীরাও। আর পেশ করবেন নিজেদের প্রতিভা। আস্তিন থেকে ধীরে ধীরে বের করবেন তুরুপের তাস। কেউ গাইবেন। কেউবা বাজাবেন। কেউবা আঁকবেন। আবার কেউ কেউ নিজের জীবনের চড়াই-উতরাইয়ের গল্প বলবেন। আর এমনই এক দারুণ আড্ডার সুযোগ এ বার থেকে থাকবে বারাসাতে।

শনিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ছিল ছাদ আলাপের প্রথম আড্ডা দিবস। আর এই আড্ডার এক সদস্য উষসীকে যোগাযোগ করা হয়েছিল দ্য ওয়াল-এর পক্ষ থেকে। তিনি আবার এই আড্ডা থুড়ি কনসার্টের সঞ্চালিকাও। গোটা ব্যাপারটা খোলসা করে জানালেন তিনিই।

উষসীর কথায়, “ছাদ আলাপ কিন্তু শুধু গানের কনসার্ট নয়। এখানে যাঁরা আসবেন তাঁদের সবারই কিছু না কিছু প্রতিভা আছে। সেটাই প্রকাশ পাবে এই মঞ্চে।” তিনি আর বলেন, “আসলে আমরা সবাই নিজেদের মতো করে কাজ করি। কোথাও একটা গিয়ে বুঝতে পারছিলাম সবার সঙ্গে ঠিকভাবে যোগাযোগটা হচ্ছে না। সেই জন্যেই উদ্যোগ নেওয়া। তবে আমরা তো সবে শুরু করলাম। তাই স্থান সংকুলান একটা বড় সমস্যা। তাই এখনই সবাইকে আসার জন্য আমন্ত্রণ করতে পারিনি। তবে ভবিষ্যতে পারবো। এই আশা রাখছি।” প্রতি ছয় মাসে একবার খোলা ছাদে আড্ডা দিতে বসার ইচ্ছে রয়েছে উষসীদের। সঙ্গে রয়েছেন আরও অনেকে।

কিন্তু বাকি কনসার্টের থেকে ‘ছাদ আলাপ’ আলাদা কিসে? আর শনিবার সন্ধ্যার আসরে কী কী চমকই বা ছিল?

উষসী জানিয়েছেন, গান এবং বাজনার পাশপাশি ছিল কীর্তনের অনুষ্ঠান। গোটা অনুষ্ঠান চলাকালীন লাইভ পেন্টিং করেছেন অর্পিতা। লোকগীতির পাশাপাশি ছিল বাংলা ব্যান্ডও। আর পুরো ছাদটা সাজানো হয়েছিল একেবারেই হাতে গড়া জিনিস দিয়ে। এমনকী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের হাতেও তুলে দেওয়া হয়েছে হ্যান্ড মেড গিফট।

সবশেষে উষসী বলেন, “আমি তো এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে আছিই। তবে মূল উদ্যোগ নিয়েছে আমার ভাই এবং ভাইয়ের বন্ধুরা। অরিত্র, উপমন্যু, গৌরব, অগ্নীশ্বর এবং নীলাংশুক—এই পাঁচজনকে ছাড়া কিন্তু ছাদ আলাপ হতোই না।”

Comments are closed.