দু’সপ্তাহেই ৭০০ কোটি পার, ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘২.০’

১১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রিলিজের আগে থেকেই দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। আর দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখে আশায় ছিলেন ছবির নির্মাতারা। বক্স অফিসে যে ‘২.০’ জমিয়ে ব্যবসা করবে সে ব্যাপারে খানিকটা নিশ্চিতই ছিল টিম ২.০।

হলোও তাই। রিলিজের ১৫ দিন পরেও সিনেমা হলগুলিতে রমরমিয়ে চলছে দক্ষিণী পরিচালক শঙ্কর পরিচালিত ছবি ২.০। রজনীকান্ত এবং অক্ষয় কুমারের এই সায়েন্স ফিকশন ইতিমধ্যেই বিশ্ব জুড়ে ব্যবসা করেছে ৭০০ কোটি টাকার। এমনকী ভেঙে দিয়েছে বাহুবলী পার্ট ওয়ান থুড়ি বাহুবলী- দ্য বিগিনিং-এর এ যাবৎ সমস্ত রেকর্ড। তাও আবার মাত্র দু’সপ্তাহে। শোনা যাচ্ছে, ২০১৯ সালে এই ছবি মুক্তি পাবে চিনেও। গত ২৯ নভেম্বর রিলিজ হয়েছিল মাল্টিস্টারার ছবি ‘২.০’। ৫৪৩ কোটির বাজেট নিয়ে তৈরি এই সিনেমার প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে ব্যবসার পরিমাণ ছিল ৫২৬ কোটি টাকা।

তামিল, তেলেগু, হিন্দি মিলিয়ে মোট ১৪টি ভাষায় রিলিজ হয়েছে এই ছবি। বিশ্বের প্রায় ১০হাজার স্ক্রিনে রিলিজ হয়েছে এই সিনেমা। যার মধ্যে সাড়ে সাত হাজার সিনেমা হল রয়েছে ভারতেই। ছবির পরতে পরতে রয়েছে সাসপেন্স। তবে সব চমকের উপরে রয়েছে অক্ষয় কুমারের লুক। ২.০-তে ভিলেনের চরিত্রে দেখা গিয়েছে অক্ষয় কুমারকে। যিনি পেশায় একজন পক্ষী বিশারদ। এই সিনেমায় দেখা যায়, লাগামছাড়া রেডিয়শনের কারণে মারা যাচ্ছে বহু পাখি। তাই পক্ষী বিশারদ অক্ষয় কুমার এটি মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। তার পর থেকেই তিনি ‘বার্ডম্যান’ রূপ নিয়ে মানুষের উপর প্রতিশোধ নেওয়া শুরু করেন। সেই বিপদ থেকে মানুষকে উদ্ধার করতেই মাঠে নামবে সেই রোবোট, চিট্টি।

রিলিজের আগে থেকেই এই ছবি নিয়ে দর্শক থেকে পরিচালক সবার মনে ছিল অনেক আশা। দর্শকরা বলেছিলেন, নিশ্চয় তাঁরা এমন কিছু দেখতে পাবেন যা আগে কখনও বিগ স্ক্রিনে দেখেননি। আর ছবির পরিচালক এবং প্রযোজক, প্রথম দিনের বক্স অফিস সাফল্যের ক্ষেত্রে ল্যান্ডমার্ক তৈরি করা ছবি এস এস রাজমৌলির ‘বাহুবলী-২’-র থেকেও এগিয়ে রেখেছিলেন ‘২.০’-কে। এমনকী তাঁদের ধারণা ছিল এই বছরের দিওয়ালিতে রিলিজ হওয়া ‘ঠগস অফ হিন্দোস্থান’ ছবিকেও পিছনে ফেলে দেবে এই সায়েন্স ফিকশন। হয়েছেও তাই। সব ছবির সমস্ত রেকর্ড ভেঙে আপাতত ল্যান্ডমার্ক তৈরি করেছে শঙ্করের ছবি ‘২.০’। প্রযোজনায় ছিলেন করণ জোহর।

পরিসংখ্যান বলছে ‘২.০’ রিলিজের আগেই নাকি ব্যবসা করে ফেলেছিল ৩৭০ কোটি টাকার। কেবলমাত্র ডিজিটাল মিডিয়ায় প্রোমোশন, টিজার-ট্রেলর-গান-পোস্টার রিলিজের মাধ্যমেই এই আয় সম্ভব হয়েছে। অতএব, আগামী দিনে যে বক্স অফিসে এই ছবির আর্থিক সাফল্য অনেক নামজাদা ছবিকেই পিছনে ফেলবে তা বলাই বাহুল্য।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More