সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬

শত্রু ট্যাঙ্ককে নিমেষে গুঁড়িয়ে দিতে পারে, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মারাত্মক এই ক্ষেপণাস্ত্রের এক ছোবলেই নির্ঘাত মৃত্যু। বিশাল এলাকা জুড়ে যদি হানা দেয় শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক, তির বেগে ছুটে গিয়ে ছাড়খাড় করে দেবে এই এই অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (এটিজিএম)। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) জানিয়েছে, এই এটিজিএম মানুষ বহন করতে পারবে অর্থাৎ এটি ম্যান পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (এমপিএটিজিএম)। দুরন্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হলো আজ, বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশের কুরনুলে।

ডিআরডিও সূত্রে খবর, এই ক্ষেপণাস্ত্র বাহক ম্যান পোর্টেবল ট্রাইপড লঞ্চার। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের জন্য ভুয়ো ট্যাঙ্ক সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। উপর থেকে প্রবল গতিতে সেটি আছড়ে পড়ে নিমেষে ধ্বংস করে দেয় ট্যাঙ্কটিকে। ভারতীয় সেনার জন্য বিশেষ ভাবে বানানো এটি তৃতীয় প্রজন্মের ম্যান পোর্টেবল এটিজিএম।

এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর নির্ভুল ভাবে নিজেই খুঁজে নেয় লক্ষ্যবস্তুকে। ভূমি এবং আকাশ, দুই জায়গা থেকেই ছোড়া যায়। প্রতিপক্ষের ট্যাঙ্কই মূলত এই ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্য। লঞ্চিং প্যাড থেকে ছাড়া হলে শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ককে গুঁড়িয়ে দিতে পারে এই এমপিএটিজিএম।

দেখুন এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ:

ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থার (ডিআরডিও) মিসাইল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক সিস্টেমের তরফে জানানো হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। খুব দ্রুত এটি বহারযোগ্য হয়ে উঠবে।

এটিজিএমের কয়েকটি ভার্সন ভারতের হাতে রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘নাগ’। ২০১৫ সালে ভারতীয় বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল নাগ ক্ষেপণাস্ত্র। এখন তা অনেকটাই উন্নত। গোয়েন্দা সূত্র জানাচ্ছে,  সীমান্তজুড়ে ট্যাঙ্ক, ছোট ও মাঝারি পাল্লার আগ্নেয়াস্ত্র মোতায়েন করেছে পাক সেনারা। নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করে নাশকতার ছক কষছে পাক মদতপুষ্ট একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠী। দক্ষিণের উপকূলবর্তী এলাকাগুলো দিয়ে যে কোনও মুহূর্তে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে। কোনও ভাবে যদি সঙ্ঘাত বাধে, পাল্টা মোকাবিলায় এই ক্ষেপণাস্ত্র খুবই কাজে আসবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর।

Comments are closed.